করোনা উপসর্গ নিয়ে ৫ ব্যক্তির মৃত্যু, ১৩ বাড়ি লকডাউন

লক্ষ্মীপুর দুইদিনে করোনাভাইরাস উপসর্গে পৃথক ৫ জন মৃত ব্যক্তিসহ ৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ সময় ১৩টি বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার রায়পুর, রামগঞ্জ, কমলনগর উপজেলা ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার কমলনগর উপজেলায় করোনা উপসর্গে দুই বৃদ্ধ ও এক যুবক মারা যায়। তারা চরমার্টিন, চরফলকন ও সাহেবের হাট এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এক যুবক শ্বশুর বাড়িতে আসে। এসব ঘটনায় ৪ বাড়ি লকডাউন করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। একইদিন এই উপজেলা থেকে করোনা পরীক্ষার জন্য মৃত ব্যক্তিদেরসহ ৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার সকালে জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়া নিয়ে রামগঞ্জের কাঞ্চনপুরে শেফালি গ্রামে এক রাজমিস্ত্রি মারা যান। এই ঘটনায় ৫ বাড়ি লকডাউন করে প্রশাসন। মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশীতে সিকদারকান্দি গ্রামে শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা এক যুবকের মৃত্যু হয়। প্রশাসনকে না জানিয়ে তার লাশ দাফন করে স্বজনরা। খবর পেয়ে শনিবার সকালে স্থানীয় প্রশাসন ৪ বাড়ি লকডাউন করেছে।

এ ছাড়া শুক্রবার রাতে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিনোদবিহারী সড়কে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা এক যুবকের বাসা লকডাউন করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন আবদুল গাফ্ফার বলেন, করোনা উপসর্গে মারা যাওয়া ব্যক্তি ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা যুবকদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের করোনা পরীক্ষার প্রতিবেদন আসা পর্যন্ত তাদের বাড়িগুলো লকডাউনে থাকবে।