করোনা ভাইরাস: বিশ্বজুড়ে অবস্থার কোন উন্নতি হয়নি

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২০ | আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে এর প্রাদুর্ভাব অপরিবর্তিত থাকার কথা জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

এক্ষেত্রে একমাত্র ব্যতিক্রম জাপানে আটকা পড়া ক্রুজ শিপ ডায়মন্ড প্রিন্সেস।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জাহাজটিতে নতুন করে ৪৪ জন আক্রান্ত হওয়ায় মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে। তবে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের হার বা এর তীব্রতায় বড় ধরনের কোনও পরিবর্তন আসেনি।

ভিয়েতনামের একটি গ্রামে ছয় জন শনাক্ত হওয়ার পর দশ হাজার মানুষকে আলাদা করে রাখা হয়েছে।

হঠাৎ করে চীনের হুবেই প্রদেশে করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়ে গেছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে হুবেই প্রদেশে করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব শুরুর পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সেখানে একদিনে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়। ২৪২ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি সেদিন আক্রান্ত হয় ১৪ হাজার ৮৪০ জন।

ডব্লিউএইচও’র হেলথ ইমার্জেন্সি প্রধান মাইক রিয়ান বলেছেন, আক্রান্ত নির্ধারণে হুবেই কর্তৃপক্ষ যে ব্যাখ্যা নির্ধারণ করেছিল তাতে পরিবর্তন আনায় ভাইরাসটিতে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। ‘এতে প্রাদুর্ভাব বিস্তারের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত প্রতিফলিত হয় না,’ বলেন তিনি। ডব্লিউএইচও’র এই কর্মকর্তা জানান, চীনের বাইরে ২৪টি দেশে ৪৪৭ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। আর মারা গেছে দুই জন।

বৃহস্পতিবার জাপানে প্রথমবারের মতো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। টোকিওর দক্ষিণ-পশ্চিমে কানাগাওয়াতে বসবাস করা ৮০ বছরের এক বৃদ্ধা মারা গেছেন। তার মৃত্যুর পর করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

জাপানের সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ওই নারীর সঙ্গে চীনের হুবেই প্রদেশের জ্ঞাত কোনও সম্পর্ক নেই।

এদিকে জাপানের ইয়োকোহামা বন্দরের কাছে আটকে রয়েছে ক্রুজ শিপ ডায়মন্ড প্রিন্সেস। জাহাজটিতে থাকা ৩৭০০ মানুষের সবাইকে এখনও পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জাহাজটির ২১৮ জন যাত্রীকে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের কাছের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আর জাহাজে থাকা আরোহীরা মূলত নিজেদের কেবিনে আটকা পড়ে রয়েছেন।