কাশ্মীরের জনগণের সংগ্রামকে সমর্থন করা আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব | ড. তুহিন মালিক

আগস্ট ১০, ২০১৯

ড. তুহিন মালিক | সংবিধান বিশেষজ্ঞ


কাশ্মীরের নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করা আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব।

কেননা বাংলাদেশ সংবিধানের ২৫(১) (গ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷”

আর যারা বাংলাদেশের জনগণের এই সাংবিধানিক দায়িত্বকে অস্বীকার করবে, কিংবা নাগরিকের এই সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে বাধা দিবে, কিংবা ভয়-ভীতি বা হুমকি দিবে, তারা প্রত্যেকেই সংবিধানের বিধান মতে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইবে। যাহার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

কেননা বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ক।(১)(খ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে-

তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।”


ফেসবুক থেকে


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


কাশ্মীরে ভারত সরকারের জুলুম-নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেহস করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কাশ্মীরি শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে কাশ্মীরি ছাত্রছাত্রী ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ করেন।

বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে তারা ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার কতৃক দেশটির সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলুপ্তির মাধ্যমে কাশ্মীরের শেষ স্বাধীনতাটুকুও কেড়ে নেয়ার প্রতিবাদ জানান। তারা অনতিবিলম্বে কাশ্মীরে সব ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানান।


‘কাশ্মীরের বীর জনতা আমরা আছি তোমার সাথে’ স্লোগানে প্রকম্পিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


হিন্দুত্ববাদি নরেন্দ্র মোদি সরকার ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ও ৩৫ এর (ক) ধারা বাতিল করে কাশ্মীরীদের স্বায়ত্তশাসন কেড়ে নিয়েছে।

এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। কাশ্মীরের স্বাধীনতা দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

সোমবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ করে। এ সময় তারা ‘কাশ্মীর চাই আজাদী’; ‘কাশ্মীরের বীর জনতা লও লও লও সালাম’; ‘কাশ্মীরের বীর জনতা আমরা আছি তোমার সাথে’ ইত্যাদি স্লোগান দেয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি টিএসসি থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্যের সামনে এসে শেষ হয়।

ঢাবি শিক্ষার্থীরা বলেন, কাশ্মীরে আমাদের ভাই-বোনেরা বছরের পর বছর অত্যাচারিত হয়ে যাচ্ছে। ভারত সরকার প্রতিনিয়ত তাদের উপর অবিচার করছে। এসবের শেষ চাই। চাই আজাদ কাশ্মীর। চাই আমার ভাইবোনের নিরাপত্তা, বেঁচে থাকার অধিকার।

এসময় কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘের নীরব ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন শিক্ষার্থীরা।