ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


কাশ্মীরের শ্রীনগরে আবারো জন-সমাবেশের উপর কারফিউ জোরদার করেছে ভারতী সরকার।

কারফিউ শিথিল করার পর কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় স্বাধীনতার দাবিতে বিক্ষোভ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করছে ভারতী সরকার।

কাশ্মীরের স্থানীয় সূত্র জানায়, পুলিশের গাড়িগুলো রাস্তায় রাস্তায় মাইকিং করে বলছে মানুষজনদের ঘরে ফিরে যাওয়ার জন্য। সেই সাথে দোকানদারদেরও দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত শুক্রবার কারফিউ সিথিল করা হলে কাশ্মীরের হাজার হাজার মানুষ স্বাধীনতার দাবিতে রাস্তায় নেমে আসে।

স্বাধীনতার দাবীতে রাজধানী শ্রীনগরে শুক্রবার এক বিক্ষোভ সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ভারতীয় বাহিনী প্লেটগান ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করে।

বিবিসির প্রকাশ করা ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, সড়কে মানুষ বিক্ষোভ করছেন। সেখানে বিক্ষোভাকারীদের ওপর কাঁদানে গ্যাস ও প্লেটগান ছুড়ছে পুলিশ। বিক্ষোভকারীরাও পুলিশকে প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করে যাচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদকদের প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, গত শুক্রবার জুমার নামাজের জন্য কারফিউ কিছুটা শিথিল করার সুযোগে, মাত্র আধঘণ্টার মধ্যেই শ্রীনগরের ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়ে যায়। সেই বিক্ষোভের ভিডিও গতকাল বিবিসির হাতে আসে।

বিবিসি বলছে, ওই ভিডিওতে দেখা যায়, হাজার হাজার মানুষের সেই বিক্ষোভে কাশ্মীরের স্বাধীনতার পক্ষে স্লোগান উঠছে। ওই বিক্ষোভে পুলিশ কাদানে গ্যাস ও ছররা গুলি নিক্ষেপ করে, যাতে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহত হয়।

বিক্ষোভকারীরা স্বাধীনতার পক্ষে স্লোগান দিচ্ছিল। তাদের স্লোগানে মধ্যে ছিল_ ”হাম কেয়া চাহতে, আজাদী” ”আজাদীকা মাকসাদ কেয়া হে, লা ইলাহা ইল্লাহ”।

বিবিসির সংবাদদাতা রিয়াজ মাসরুর শ্রীনগর থেকে ভিডিওটি পাঠিয়েছেন। এতে দেখা গেছে, শুক্রবার জুমার নামাজের পর কয়েক হাজার মানুষের প্রতিবাদ-বিক্ষোভ করছেন। বিক্ষোভকারীদের কারও হাতে কালো কিংবা সবুজের ওপরে চাঁদ-তারা আঁকানো পতাকা, কারও হাতে ‘উই ওয়ান্ট ফ্রিডম’ লেখা প্ল্যাকার্ড।