কুরবানী নিয়ে যেকোনো ধৃষ্টতা সহ্য করা হবে না: চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী রেজাউল করীম চরমোনাই পীর বলেছেন, কুরবানী হচ্ছে ইসলামের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। যারা করোনাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা বলে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল কুরবানিকে নিরুৎসাহিত করতে চায় তাদের ব্যাপারে সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। যাদের ওপর কুরবানি ওয়াজিব তাদেরকে আসন্ন ঈদুল আযহায় যথাযথভাবে পশু কুরবানী দিতে হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কুরবানী হচ্ছে হযরত ইব্রাহিম আ. এর অন্যতম স্মৃতিবিজড়িত এবং গুরুত্বপূর্ণ ত্যাগ। এটি মহিমান্বিত একটি ইবাদত। কুরবানী সাধারণ দান-সাদাকার মত কোনো বিধান নয় এবং এটার বিকল্পও কিছু নেই

তিনি আর বলেন, মহামারিতেও দুর্নীতির কারণে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আজ বিপর্যস্ত। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত জাপান গার্ডেন আবাসিক এলাকায় এ বছর কুরবানীর পশু ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে জাপান গার্ডেন সিটির কর্তৃপক্ষ। করোনা ভাইরাসের অজুহাতে এধরণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার কারো নেই। ইসলামবিরোধী এ ধরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া ধর্মীয় অধিকারে হস্তক্ষেপের নামন্তর।

চরমোনাই পীর বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোরবানী করলে তাতে কোনো সমস্যা নেই, এমনটা বলে আসছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে আবাসিক এলাকাটির এমন সিদ্ধান্তে অবাক হয়েছেন ধর্মপ্রাণ মানুষ। তারা বলছেন, কোরবানী শুধু পশু জবাই নয়, মুসলমানদের জন্য এটা একটি ইবাদত। স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেখানে সারাদেশেই কুরবানী হবে, সেখানে জাপান গার্ডেন সিটির আলাদা সিদ্ধান্ত নেওয়ার কতটুকু যৌক্তিকতা আছে? আমরা মনে করছি এটা চরম ধৃষ্টতা এবং আমাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর আঘাত।