ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণে নগরীতে থাকছে দুই সিটি করপোরেশনের প্রায় ১৪ হাজার কর্মী। নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে এবার এই উদ্যোগ নিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন।

সোমবার (১২ আগস্ট) দুপুর ২টায় উত্তরা থেকে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম। অন্যদিকে দুপুর পৌনে ৩টায় ধোলাইখালের সাদেক হোসেন খোকা মাঠের সামনের জায়গা থেকে নিজ এলাকায় বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ডিএসসিসি মেয়র সাঈদ খোকন।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএনসিসিতে এবার প্রায় ছয় হাজার কর্মী ও ডিএসসিসিতে প্রায় আট হাজার কর্মী কাজ করবে বলে জানান করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মঞ্জুর হোসেন। এদের মধ্যে ডিএনসিসির নিয়মিত কর্মী প্রায় আড়াই হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পিডাব্লিউসিএসপিএর প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মী কাজ করবে বর্জ্য অপসারণে।

অন্যদিকে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর জাহিদ হোসেন জানান, তাদের নিয়মিত কর্মী পাঁচ হাজার ২শ ৪১ জন। সঙ্গে থাকছে পিডাব্লিউসিএসপিএর প্রায় তিন হাজার কর্মী। এছাড়াও দ্রুততম সময়ে বর্জ্য অপসারণে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়া পরিচ্ছন্নতাকর্মী থাকছে দুই সিটিতেই। সব মিলিয়ে ১৪ হাজারের বেশি পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবার থাকছে রাজধানীতে কোরবানি হওয়া পশুর বর্জ্য অপসারণ মিশনে।

দুই সিটির কর্মকর্তারা বলছেন, অনেকেই ঈদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনেও পশু কোরবানি করেন। তবে নাগরিকেরা নির্ধারিত স্থানে সচেতনতার সঙ্গে পশু কোরবানি দিলে সর্বনিম্ন ২৪ ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানী থেকে বর্জ্য অপসারণ সম্ভব।