চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-৪ এর কর্মকর্তারা নৌকা কিনেছেন যাতায়াতের জন্য।

বলা হচ্ছে, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা যাতে অফিসে যাতায়াত করতে পারেন সেজন্যে সরকারি খরচে এই অফিসের জন্যে দুটো নৌকা কেনা হয়েছে।

ওই অফিসেরই একজন দারোয়ান প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে কয়েকটি ‘ট্রিপে’ কর্মীদের অফিসে নিয়ে যান ও বাড়িতে পৌঁছে দেন।

অফিস চলাকালে নৌকা দুটো রাখা একটি গাড়ির গ্যারেজে।

জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে ব্যবসায়িক কার্যক্রমও, আবার দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল বাজার খাতুনগঞ্জে পণ্য রাখার গোডাউনেও ঢুকে পড়েছে পানি, তাতে করে ব্যাপক ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে।

ঢাকার মতো চট্টগ্রামেও সিটি কর্পোরেশনের সমন্বয়ের অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, “আজই ৩০০ কোটি টাকার নদী খনন প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে চট্টগ্রামের জন্য আর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে ঢাকার জন্যও। এগুলোর কাজ শুরু হলে আগামী বছর থেকেই সংকটের সমাধান হবে। ”

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে, গত তিন দিনে চট্টগ্রামে ৪১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আর চট্টগ্রাম বন্দরের হিসাবে গত তিন দিনে কর্ণফুলী নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জোয়ারের পানির উচ্চতা সাড়ে ৫ থেকে সাড়ে ৬ মিটার পর্যন্ত উঠেছিল, যা এই সময়ে ৩ থেকে ৪ মিটার উঁচু হয়ে থাকে। অপরিকল্পিত নগরায়ণের সঙ্গে প্রকৃতির পরিবর্তন যোগ হয়ে শহরে জলাবদ্ধতা বাড়ছে বলে জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শেখ হারুন উর রশিদ।