চুয়াডাঙ্গায় সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা

ফেব্রুয়ারি ২, ২০২০ । নিজস্ব প্রতিনিধি


চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

রোববার (০২ ফেব্রুয়ারি) সকালে শিশুটির মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।

নিহত শিশুর নাম সুমাইয়া। শনিবার রাত ১১টার দিকে উপজলোর পারকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠের একটি শিমবাগান থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সুমাইয়া পারকৃষ্ণপুর গ্রামের কাঠুরে নাসির উদ্দিনের মেয়ে এবং ছয়ঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সুমাইয়া স্কুল থেকে বাড়ি ফেরে। এরপর পোশাক পরিবর্তন করে খেলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় সে। বিকেল পর্যন্ত তার দেখা না মেলায় বাড়ির লোকজন তাকে খুঁজতে বের হয়।

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নামলেও সুমাইয়াকে পাওয়া যায়নি। পরে রাত ৮টার দিকে গ্রামসহ আশপাশে এলাকায় মাইকিং করা হয়।

মাইকিং করেও তার হদিস মেলেনি। রাত ৯টার দিকে গ্রামবাসী দল বেঁধে লাইট হাতে মাঠ-ঘাটে খোঁজা শুরু করে। রাত ১১টার দিকে গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদ মাঠের আয়ুব আলীর শিমবাগানে সুমাইয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে গ্রামবাসী।

এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে মাঠের বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। রাত সাড়ে ১১টার দিকে সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রোববার মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের ওসি সুকুমার বিশ্বাস বলেন, নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য রোববার মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ধর্ষণ শেষে শিশু সুমাইয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।