ছেলেধরা সন্দেহে বগুড়ায় কাঁঠাল ব্যবসায়ীদের গণপিটুনি, পুলিশসহ আহত ৪

জুলাই ২২, ২০১৯

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


বগুড়ার গাবতলীতে ছেলেধরা সন্দেহে চার ব্যক্তিকে আটক করে গণপিটুনি দেয়া হয়েছে। এ সময় তাদের পিকআপ পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদে আশ্রয় নিয়ে ভুক্তভোগীরা প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন।

এদিকে পুলিশ তাদের থানায় আনার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ মানুষ পুলিশের ওপর চড়াও হয়। ওই চারজনকে তাদের হাতে তুলে দেবার দাবিতে পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে ৪-৫ জন পুলিশ আহত হয়েছেন।

পুলিশ লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে প্রায় চার ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাদের নিয়ে থানায় ফিরে আসে।

এ সময় পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় ১০-১২ উসকানিদাতাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে।

ছেলেধরা সন্দেহ আটকরা হলেন বগুড়ার গাবতলীর উপজেলার মহিষাবান কর্ণিপাড়ার হযরত আলীর ছেলে ফাইম (২৪), ধুনট উপজেলার জোড়শিমুল গ্রামের নজীর হোসেনের দুই ছেলে দুলাল (২২) ও নিয়ামুল (৩৬) এবং পারধুনট মধ্যপাড়ার আবদুর রশিদ আকন্দের ছেলে লুৎফর রহমান (৩৫)।

সাবেক চেয়ারম্যান হান্নান জানান, ওই চার ব্যক্তি কাঁঠাল ব্যবসায়ী। তারা কাঁঠাল কেনার জন্য দুর্গাহাটা হাটে এসেছিলেন।

বগুড়ার গাবতলী সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন জানান, ছেলেধরা সন্দেহে জনগণ চার ব্যক্তিকে আটক করেছিলেন। তারা ইউপি পরিষদে আশ্রয় নেয়। জনগণ তাদের পিকআপ ভ্যান পুড়ে দিয়েছেন। উদ্ধার করতে গেলে জনগণ ওদেরকে তাদের হাতে তুলে দেবার দাবি করেন। তারা পুলিশের কাজে বাধা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। এতে তাদের ৪-৫ জন পুলিশ আহত হন।

এ ঘটনায় উসকানি দেয়ায় ১০-১২ জনকে আটক করা হয়েছে। প্রায় ৪ ঘন্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তিনি আরও জানান, ছেলেধরা সন্দেহে আটক ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়া আটকদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি পুড়িয়ে দেয়ায় মামলা হবে।