জনমানবশূন্য সমুদ্রসৈকতে ফিরছে সাগরলতা

করোনাভাইরাস আতঙ্কে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার জনমানবশূন্য হয়ে পড়েছে।

আর এরই মাঝে সারি সারি সাগরলতা কক্সবাজারের সৈকতের বুকজুড়ে ছড়িয়ে গেছে। বেলাভূমির কোথাও ফুটেছে সাগরলতার ফুল, কোথাও বালিয়াড়ির গহীনে ছড়িয়ে যাচ্ছে এর শেকড়।

সপ্তাহ দুয়েক আগেও কেউ এমন দৃশ্য কল্পনা করতে পারেনি। সৈকতে পর্যটকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাত্র ১০ দিনের মধ্যে দেখা মিলল সাগরলতার।

সমুদ্রসৈকতে মাটির ক্ষয়রোধ এবং শুকনো উড়ন্ত বালুরাশিকে আটকে বড় বড় বালির পাহাড় বা বালিয়াড়ি তৈরির মূল কারিগর হিসেবে পরিচিত সাগরলতা।

সাগরে ঝড়-তুফান বা ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস উপকূলে ঠেকিয়ে রাখে বলে বালিয়াড়িকে সৈকতের রক্ষাকবচ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

কিন্তু পর্যটনশিল্পের কারণে দখল ও দূষণের শিকার হয়ে গত প্রায় তিন দশকে কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সমুদ্রসৈকতের বড় বড় বালিয়াড়িগুলো প্রায়ই হারিয়ে গেছে। ধীরে ধীরে সমুদ্র তীরভাঙনের শিকার হয়ে হাজার হাজার একর ভূমি সাগরগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আর সেই বিধ্বস্ত প্রকৃতি আপনা-আপনি পুনর্গঠিত হচ্ছে করোনা নিষেধাজ্ঞার নির্জনতার সুযোগে।