ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিউজ ডেস্ক


তেজপাতায় ফোলিক অ্যাসিড, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-সিক্স, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন সবই থাকে।

হজমে সাহায্য করে– সকাল থেকে না খেয়ে থেকে হঠাৎই অনেকটা খেয়ে ফেলা, ফলে পেট ফাঁপা, পেট ভার বা পরের দিন কোষ্ঠকাঠিন্য প্রভৃতি নানাবিধ সমস্যা থেকে বাঁচাতে পারে তেজপাতা। আয়ুর্বেদের মতে, তেজপাতা শরীর থেকে টক্সিনের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যার ফলে হজম প্রক্রিয়া সহজ হয়।

হার্ট ভাল রাখে– হৃদপিণ্ডের দেওয়াল শক্ত করতে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি থেকে বাচাঁতে পারে এই পাতা।

ব্যথা থেকে মুক্তি– শরীরের যে কোনও ধরনের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে তেজপাতা। বাতের ব্যথাতেও অব্যর্থ এই তেজপাতা। তেজপাতা বেটে একটা পেস্ট তৈরি করে শরীরের যেখানে যেখানে ব্যথা সেখানে এই পেস্ট লাগিয়ে ২০ মিনিট বিশ্রাম নিতে হবে। ব্যথা এক্কেবারে গায়েব হয়ে যাবে। যন্ত্রণার উপশমে তেজপাতার তেল ব্যবহার করা হত অনেক আগে, যখন এত পেনকিলার-নির্ভর জীবন ছিল না।

স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে– তেজপাতা পোড়ানোর গন্ধ আমাদের স্নায়ুকে চাঙ্গা করে। তাই ক্লান্তিবোধ আমাদের আকড়ে ধরলে অল্প কিছু তেজপাতা পুড়িয়ে নিলেই ভালো কাজে আসবে। মানসিক স্বাস্থ্যও চাঙ্গা থাকবে। তেজপাতার মধ্যে থাকে লিনালুল (C10H18O)। এর কারণেই তেজপাতার এই সুগন্ধ। এই যৌগই আমাদের উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে, মানসিক অস্থিরতাও কমায়।

চুলের যত্নে– খুশকির সমস্যা দূর করে মাথার ত্বককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে তেজপাতা। চুলের যে কোনও ধরনের সমস্যা সমাধানে তেজপাতা একটি প্রাচীন প্রতিকার। কয়েকটি তেজপাতা জলে ফুটিয়ে নিয়ে সেই জল মাথার স্কালে ব্যবহার করলে খুসকির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

সর্দি-কাশি কমাতে– তেজপাতা সর্দি-কাশির ব্যাকটেরিয়ার উপর বিশেষভাবে কাজ করে। ৪-৫টি তেজপাতা পরিষ্কার জলে ফুটিয়ে নিয়ে তাতে একটি পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে নিয়ে বুকে পিঠে গরম সেঁক নিলে আরাম পাওয়া যাবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ– এক গবেষণায় দেখা গেছে যাঁরা দিনে দু’বার তেজপাতার গুঁড়ো জলে মিশিয়ে পান করেন, তাঁদের রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে গেছে। এই পাতাতে আছে এমন উপকারী উপাদান যা ডায়াবেটিস রোধ করতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। সেইসঙ্গে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকিও কম করতে সাহায্য করে।