ত্রাণ বিতারণের দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেয়ার আহবান ইসলামী যুব আন্দোলনের

ত্রাণের চাল চুরি এখন করোনার থেকেও ভয়াবহ মহামারীতে পরিণত হয়েছে। সরকার প্রধান সর্বোচ্চ সতর্কবাণী দেয়ার পরেও যেন কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না এই চুরির মহাউৎসব।

আজ ১২ এপ্রিল’২০ (রবিবার) এক যুক্ত বিবৃতিতে ইসলামী যুব আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি কে এম আতিকুর রহমান ও সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা নেছার উদ্দিন উপর্যুক্ত কথা বলেন।

তারা আরো বলেন, গত কয়েক দিন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীরা একের পর এক হুঁশিয়ারি দিলেও প্রতিদিন যেই পরিমানে চুরির সংবাদ প্রকাশ পাচ্ছে বাস্তবতা তার থেকেও আরো অনেক ভয়াবহ।

নেতৃদ্বয় বলেন, সরকার দলীয় এসব গুন্ডাবাহিনী ও কথিত জনপ্রতিনিধিরা গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের সম্পদকে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত করছে, তাই ওদেরকে শুধু আইন ও অনৈতিকতার কথা বললে হবে না, সমাজিক ভাবে প্রতিহত করতে হবে। জাতির এই দূর্দিনে যারা অসহায় মানুষের মুখের খাবার কেড়ে নেয় তারা এদেশে রাজনীতি করার কোন অধিকার রাখে না।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেই বড় ধরণের প্রণেদনা প্যাকেজ ঘোষনা করেছেন সেখানে সাধারণ মানুষের জন্য তেমন কিছুই দেওয়া হয় নাই, দেওয়া হয়েছে বড় বড় শিল্পপতিদের জন্য। তাই এই বাজেটের পুনঃ বণ্টন করতে হবে।

বিবৃতি তারা চোরদের হাত থেকে দেশের অসহায় মানুষকে বাঁচানোর জন্য ত্রাণ বিতারণের সার্বিক দায়িত্ব সেনাবাহিনীর হাতে দেয়ার আহবান জানান।