ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর কারণে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : হাছান মাহমুদ

নভেম্বর ১০, ২০১৯ | নিজস্ব প্রতিনিধি

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বাংলাদেশে আঘাত হানার কারণে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, সরকারের প্রস্তুতির কারণেই ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ কোনো ক্ষয়ক্ষতি করতে পারেনি। ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’র ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার বিকেলে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার পর নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন তিনি।

আজ রবিবার নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনাসভায় হাছান মাহমুদ এসব বিষয় জানান।

হাছান মাহমুদ জানান, সরকারের প্রস্তুতির কারণেই ঘূর্ণিঝড় বুলবুল কোনো ক্ষয়ক্ষতি করতে পারেনি। দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের মন্তব্যের নিন্দা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আয়নায় আগে নিজেদের মুখ দেখুন। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় যে ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল তাতে পাঁচ লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল। এরপর তারা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, সরকারের প্রস্তুতির কারণে যত লোক মারা যাওয়ার কথা ছিল তত মারা যায়নি।


পাকিস্তান থেকে ১৫ বছর পর পেঁয়াজ আমদানি করছে বাংলাদেশ

নভেম্বর ১০, ২০১৯ | নিজস্ব প্রতিনিধি


পাকিস্তান থেকে অন্তত ১৫ বছর পর পেঁয়াজ আমদানি করছে বাংলাদেশ।

জানাগেছে, সম্প্রতি করাচি ভিত্তিক রোশান এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে ঢাকার তাসো এন্টারপ্রাইজের মধ্যে ৩০০ টন পেঁয়াজ নিয়ে চুক্তি হয়েছে।

পাকিস্তানের দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রেড ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি অব পাকিস্তানের (টিডিএপি) এক কর্মকর্তা খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

এতে বলা হয়, প্রতিবেশী দেশের ওপর ভারতীয় সবজি রপ্তানির নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।

ওই কর্মকর্তা জানায়, কমপক্ষে ১২ কনটেইনার পেঁয়াজ বাংলাদেশে যাবে। এরপর আরও রপ্তানি হবে।

ভারতীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তান সম্ভাব্য বাজার হিসেবে হাজির হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

তিনি আরও জানান, পেঁয়াজ বাণিজ্য নিয়ে দুই দেশের সরকারও একমত হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ প্রতিবছর ৭ লাখ থেকে ১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করে। এর ৭৫ ভাগই যায় ভারত থেকে।

পাকিস্তানি পণ্যের বাজার হিসেবে বাংলাদেশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে। এশিয়ার মধ্যে চীনের পর বাংলাদেশেই বেশি পণ্য রপ্তানি করে দেশটি।

স্থানীয় বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য তুরস্ক, মিয়ানমার ও মিসরের মতো বিকল্প বাজারের সন্ধান করছে ঢাকা।