রাজশাহী সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ড থেকে চৌকি সরিয়ে নেবে বিএসএফ

ডিসেম্বর ৩, ২০১৯ নিজস্ব প্রতিনিধি

রাজশাহীর গোদাগাড়ী সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ডের ওপর করা চৌকি সরাতে পাঁচদিন সময় নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।

মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) গোদাগাড়ীর সাহেবনগর সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে হওয়া পতাকা বৈঠকের সময় বিএসএফ চৌকি সরাতে সম্মত হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিজিবি-বিএসফের মধ্যে জিরো লাইনের ওপর পতাকা বৈঠকটি হয়। বিজিবির পক্ষে ডেলটা কোম্পানির কমান্ডার নায়েব সুবেদার শওকত আলী ও বিএসএফের চর লবণগোলা কোম্পানির ইনচার্জ অভিজিৎ সিংহ নিজ নিজ পক্ষে নেতৃত্ব দেন।

চৌকি এলাকা ঘুরে দেখে বিএসএফ কমান্ডার স্বীকার করেন এটি নো-ম্যান্স ল্যান্ডেই করা হয়েছে। তবে বিএসএফ কমান্ডার বলেন, যেহেতু বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের গোচরে গেছে তাই সেটি সরাতে কর্তৃপক্ষের অনুমতি প্রয়োজন। এজন্য পাঁচদিন সময় লাগবে।

সাহেবনগর সীমান্ত ফাঁড়ির এক কিলোমিটার পূর্বপাশ দিয়ে পদ্মা নদী থেকে বের হয়ে কাটা নদী ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার চর লবণগোলা এলাকায় ঢুকেছে। কাটা নদীটির ভাঙনে সীমানা পিলার গত বছরই নদীতে বিলীন হয়।

সম্প্রতি কাটা নদীটিতে পানি কমে গিয়ে পশ্চিমপ্রান্তে বাংলাদেশ সীমানার মধ্যে চর পড়েছে। নো-ম্যান্স ল্যান্ড সংলগ্ন চরটিতে গিয়ে কিছুদিন ধরে বিজিবি সদস্যরা টহল দিতেন। চরটি বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত বলে নৌকা ছাড়াই হেঁটেই বিজিবি সেখানে যাতায়াত করত।

শুক্রবার রাতে বিএসএফ সদস্যরা নৌকায় চরটিতে গিয়ে রাতারাতি সেখানে অস্থায়ী চৌকি তৈরি করে। শনিবার সকাল থেকে ভারতের চর লবণগোলা ফাঁড়ির বিএসএফ সদস্যরা সেখানে অবস্থান ও টহল দিতে শুরু করে।

বিজিবির ডেলটা কোম্পানির কমান্ডার নায়েব সুবেদার শওকত আলী জানান, বিএসএফ চৌকিটি সরিয়ে নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরিয়ে না নিলে বিজিবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক পদক্ষেপ নেবে।