প্রধানমন্ত্রী এখন কী করবেন? (প্রথম পর্ব)

মুহাম্মাদ গোলাম রব্বানী ইসলামাবাদী | গবেষক ও রাষ্ট্রচিন্তক

২০০৯ থেকে আজব্দি অর্থাৎ চলমান ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন শেখ হাসিনা। বাহ্যত, বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীত্বের দীর্ঘতম মেয়াদ মনে হলেও তা বিভিন্নভাবে ভোটারবিহীন নির্বাচন (২০১৪) ও রাতের ভোটের নির্বাচন (২০১৮) নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কের দাগ বয়ে চলেছে। উন্নত ও দাতা দেশগুলোর কাছে কথিত গণতন্ত্র একটি মাপকাঠি হলেও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে গণতন্ত্র কতোটুকু হলো কি হলো না—সে প্রশ্ন গুরুত্ব পায় না স্বার্থের কৌশলের কাছে। বলা যায়, সেদিকটা শেখ হাসিনা বেশ ভালভাবেই নিয়ন্ত্রণ করেছেন ভারতকে প্রতিরক্ষাব্যুহতে দাঁড় করিয়ে। এগুলো আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির খেলা। যাক সে-কথা। শেখ হাসিনা তাঁর দীর্ঘ সফরে দেশের ভেতরে-বাইরে কোন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী না হলেও এবার কিন্তু করোনা বেশ ভালভাবেই থাবা মেরেছে তার রাজত্বে। এতোদিন বিরোধীরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ‍লুটপাট, বিদেশে মুদ্রাপাচার ও সর্বগ্রাসী দুর্নীতির অভিযোগ তুললেও শেখ হাসিনা উল্টো সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের উপর অভিযোগ তুলে এবং র‌্যাব-পুলিস, মামলা-হামলা দিয়ে সামাল দিয়েছেন। দেশের মিডিয়া ও সহানুভুতিশীল বুদ্ধিজীবিমহল প্রধানমন্ত্রীর মেজাজ বুঝে হয় বাতাসের গতিকে সমর্থন দিয়েছেন, নয় তো অন্যদিকে চোখ ফিরিয়ে জান বাঁচিয়েছেন।

নির্দ্বিধায় বলা যায়, সম্প্রতি করোনাকে আর সামাল দিতে পারলেন না জনাবা শেখ হাসিনা। পারলেন না কেবল চিকিৎসার্থে নয়, করোনার প্রকোপ কাটাতে সাহায্যপ্রার্থী মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছাতে গিয়ে বর্তমান সরকার সবকিছু লেজে-গোবরে করে ফেলেছে। ভেসে উঠেছে তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় নেতাকর্মীদের প্লাবনরূপ চুরি ও লুটপাট। স্থানীয়, জাতীয় মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে সে-সব চিত্র আর ধামাচাপা দেয়া সম্ভব হয়নি। এমন কি সে-সব চিত্র আন্তর্জাতিক মিডিয়াতেও কদর পেয়েছে ঢের। ঘরের মাটির নিচে, গুদাম, চালের মিল, পুকুর, খানা-খন্দক—সব জায়গাতে পাওয়া যাচ্ছে আওয়ামী লীগের লুটপাটের লোমহর্ষক চিত্র। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টিকে মাত্র কয়েকটি চুরি বা অনিয়মের ঘটনা বলে উল্লেখ করে দূঃখ প্রকাশ করেছেন, যা সরকারের ওপর মানুষের ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলা যায়। কেন এসব হচ্ছে? সরকার কি এর কোন উত্তর খুঁজবে বলে মনে হয়? অবশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ত্রাণের চাল চুরির দায়ে গ্রেপ্তার হওয়া পাবনার বেড়া উপজেলার ঢালারচর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কোরবান আলী সরদারকে বাঁচানোর চেষ্টা করায় দলীয় সকল পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন বেড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি পৌর মেয়র আব্দুল বাতেনকে। বিষয়টি যদি রাজনৈতিক না হয়ে থাকে, নিঃসন্দেহে স্বস্তিদায়ক।

যে কোন নিরপেক্ষ আলোচনায় যদি বর্তমান সঙ্কটের কারণ খোঁজা হয়, তবে কতোগুলো বিষয় উঠে আসতে বাধ্য। সেগুলো হলো:

প্রথমত: বলাবাহুল্য, ২০১৪ ও ২০১৮’র বিতর্কিত নির্বাচন বাংলাদেশের নৈর্বাচনিক ইতিহাসে এক কলংকিত অধ্যায়। দেশের সংবাদ-মাধ্যম ও বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণে অস্বাভাবিক মাত্রায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া, ভোটার-সংখ্যার চেয়ে ভোট বেশি পড়া, কেন্দ্রে ব্যালটবাক্স নিয়ে আসার আগেই বাক্স ব্যালটভর্তি করা, রাতে ব্যালটবাক্সে ব্যালটপেপার ভর্তি করা, কেন্দ্র থেকে বিরোধী দলীয় এজেন্টদের বের করে দেয়া ও কেন্দ্রে না আসতে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করা ইত্যাদি ঐ দুই নির্বাচনকে জনগণের রায় বলে প্রমাণ করতে পারেনি। তবুও আওয়ামী লীগ সকল অভিযোগকে তুড়ি মেরে ক্ষমতায় থেকে যায়। বিষয়টি আওয়ামী লীগের উপরতলা থেকে নিচতলা পর্যন্ত সকল নেতাকর্মীরা জানেন। তারাও এও জানেন, এ সরকার প্রকৃতার্থে একটি নির্বাচিত সরকার নয় এবং কোন প্রকার জবাবদিহিতায় আবদ্ধও নয়। সঙ্গতকারণে, নিরঙ্কুশ ক্ষমতায় নিরঙ্কুশ দুর্নীতির (Absolute power absolute corruption) ধারণা জন্ম নেয়। এটি একটি মানসিক সমস্যা হয়ে দেখা দেয় যখন মানুষ ভাবে, সে যাচ্ছেতাই করার অবাধ লাইসেন্স পেয়ে গেছে। ঠিক এ ধরনের একটি মানসিক ক্রান্তিকালের আবর্তে পড়ে যায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

দ্বিতীয়ত: ক্ষমতার আচ্ছাদন বা Cover of power বলে একটা কথা আছে। যে বা যারাই এর নিচে স্থান পান—তারা বিশ্বাস করেন, তার বা তাদের সকল প্রকার কুকর্মের বৈধতা দেয় অথবা জবাবদিহিতা থেকে রক্ষা করে এই ক্ষমতার আচ্ছাদন। আওয়ামী লীগের আমলে দেখা গেছে, বিশেষত ছাত্রলীগ ও সরকারী দলের শীর্ষনেতারা এই ক্ষমতার আচ্ছাদনকে বেশ ভালভাবেই উপভোগ করেছে। ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনায় দেখা গেছে, যেখানে সরকারের বিরুদ্ধ বলে বিবেচিতরা লঘু অপরাধে শাস্তি পেয়েছেন বা শাস্তির মুখোমুখি হয়েছেন সে তুলনায় সরকারপক্ষীয়রা অনেক গুরু অপরাধ করেও পার পেয়ে গেছেন। কারণ, তারা সরকারের ক্ষমতার আচ্ছাদন পেয়েছেন। উদাহরণ হিসাবে সরকারের এক সময়কার সমর্থক একটি দৈনিক প্রথম আলোর দু’টো সম্পাদকীয় মন্তব্য তুলে ধরতে চাচ্ছি। ২০০৯ সালের ১৯ শে জানুয়ারী প্রথম আলো একটি সম্পাদকীয় প্রকাশ করে। সম্পাদকীয়ের শিরোনাম ছিলো—“ প্রধানমন্ত্রী, ছাত্রলীগকে সামলান : মতিউর রহমান”। তাতে লেখা হয়: “১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো থেকে মূলত পরিচালিত হতে শুরু করেছিল ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী তৎপরতা, তাদের “গডফাদার”দের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ভিত্তিতে, তাদেরই নির্দেশে। এর সবই তখন হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য ড. এ কে আজাদ চৌধুরী ও তাঁর সহযোগীদের জ্ঞাতসারে। সে সময় আমরা মন্তব্য প্রতিবেদনে লিখেছিলাম, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের এই যে সিট দখল, হল দখল, পাল্টা দখল, বন্দুকযুদ্ধ চলেছে, তা বন্ধ করতে উপাচার্যই বা কী করতে পারেন। কারণ, দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বা মন্ত্রীরা তো ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কিছু বলেন না। কিছু করেনও না। বরং তিনি যা বলেন, তাতে তারা সস্নেহে প্রশ্রয়ই পায়।”

১৯৯৯ সালের ২৫ এপ্রিল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সঙ্গে আলোচনাকালে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “আমরা তো শিক্ষাঙ্গনকে যুদ্ধক্ষেত্র বানিয়ে রাখিনি। কিন্তু অন্য দল যখন অস্ত্র নিয়ে আসে, সন্ত্রাস করে, তখন আমাদের ছেলেরাও উৎসাহী হয়, তারাও তো তরুণ।” তিনি এ কথা বলেছিলেন, “সন্ত্রাসীরাই অনেক সময় ছাত্রলীগে জোর করে যোগ দেয়। সেটা কী করা যাবে?” এ কথাগুলো বলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের এক অর্থে প্রশ্রয়ই দিয়েছিলেন।” এরপর ২০১৪ সালের ১৪ই মে আরেকটি সম্পাদকীয় ছাপে প্রথম আলো। শিরোনাম ছিলো,–‘ ছাত্রলীগের সন্ত্রাস।’ তাতে বলা হয়: “বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসা—কোথায় ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসী হাত নেই? চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে অবরোধ এবং সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে ঝুলছে তালা৷ রাঙামাটিতে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষেও তারা ছিল সামনের সারিতে৷ সাম্প্রতিক সময়ে দেশময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ভূমিকা থেকে বোঝার উপায় নেই, তারা কি বৃহত্তম ছাত্রসংগঠন, নাকি একটি অপরাধী চক্র? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মীকে অপহরণ ব্যবসায় জড়িত থাকতে দেখা গেছে৷ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁদের নির্যাতনে নিহত হয়েছেন এক ছাত্র৷ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের অন্তঃকোন্দলে কিছুদিন পর পরই কেউ না কেউ নিহত হচ্ছেন৷ গত মঙ্গলবারের প্রথম আলোয় দেখা যাচ্ছে, রাঙামাটিতে আওয়ামী লীগেরই দুই পক্ষের টেন্ডার-দখলের মারামারিতে লাঠিয়ালের ভূমিকায় ব্যবহৃত হয়েছে ছাত্রলীগ৷ ছাত্রলীগে এখন ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় দশা৷ দীর্ঘ ঐতিহ্যের দাবিদার ছাত্রসংগঠনের এমন পরিণতি নিয়ে কি কিছু ভাবছে আওয়ামী লীগ? সবখানেই আওয়ামী লীগ-যুবলীগের প্রভাবশালী নেতারা ব্যবসা-দখলদারি, টেন্ডারবাজি, এলাকায় দাপট ইত্যাদি কারণে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে৷ চোরাকারবারি, মাদক ব্যবসায়ী, ভূমিদস্যু, অস্ত্রবণিক থেকে শুরু করে অন্ধকার জগতের হেন শক্তি নেই, যারা ছাত্রলীগকে ব্যবহার করছে না! বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রলীগের কাজ উন্নয়ন ও নিয়োগ-বাণিজ্যের বখরা আদায়৷ এই বখরা আদায়ের জন্যই তারা লিপ্ত হয় গ্রুপবাজির সংঘাতে৷ এই অবস্থায় ছাত্রলীগ আর ছাত্রদের অধিকার রক্ষা কিংবা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নের সহায়ক হয়ে নেই৷ সন্ত্রাস-দুর্নীতি-অপরাধের লাঠিয়াল হিসেবে তাদের দ্বারা কল্যাণকর কিছু করা আর কিছু সম্ভব কি না, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন৷ কেবল ছাত্রলীগ নয়, ছাত্রদল, জাতীয় ছাত্র সমাজ ও ছাত্রশিবিরের অবস্থাও অতীতে এ রকমই ছিল; ভবিষ্যতেও ভিন্ন কিছু হবে, তেমন আশা করার কারণ নেই৷ ছাত্রলীগের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ না হলে ছাত্ররাজনীতি তো বটেই, জাতীয় রাজনীতিকেও চরম মূল্য দিতে হবে৷ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বুঝতে হবে, ক্রমাগত ছাড় ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি ছাত্রলীগকে বেপরোয়া করে তুলছে৷ ভবিষ্যতে তাদের দ্বারা বড় বিপর্যয় ঘটার আগেই সরকারের উচিত রাশ টেনে ধরা৷”

এরপর ধরুন, ক্যাসিনো কেলেংকারির কথা। গেলো বছরের শেষের দিকে দেশব্যাপী ক্যাসিনো কেলেঙ্কারির কথা এতো সকালে ভুলে যাবার কথা নয়। মন্ত্র্র্রী-এমপি, প্রশাসনের রাঘব-বোয়ালেরা পর্যন্ত এ জুয়ার সাথে জড়িত বলে উঠে এসেছে। ২০১৯ সালের ২রা অক্টোবর দৈনিক ইত্তেফাকের একটি খবরের শিরোনাম ছিলো—“ ক্যাসিনো : সাবেক তিন মন্ত্রী, এক সিটি মেয়র ও পাঁচ এমপি জড়িত”। খবরটিতে বলা হয়: ক্যাসিনো কেলেঙ্কারি নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী সময়ে হাওয়া ভবন থেকে পাঁচটি ক্যাসিনো উপকরণ উদ্ধার হয়েছিল। বর্তমানে বিদেশি নাগরিকদের পাশাপাশি দেশের গডফাদারদেরও রয়েছে ক্যাসিনোর সঙ্গে সম্পৃক্ততা। সাবেক তিন মন্ত্রী, একটি সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র ও ৫ জন এমপি ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে জড়িত। এক-ই বছরের ২৪শে সেপ্টেম্বর দৈনিক ইনকিলাব খবর করে—“ ক্যাসিনো কেলেঙ্কারি নিয়ে অর্থমন্ত্রী : প্রশাসনের কেউ না কেউ জড়িত”। খবরে বলা হয়: চলমান ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, প্রশাসন জানে না এমন কোনো কাজ বাংলাদেশে হতে পারে না। এর সঙ্গে কেউ না কেউ কোনো না কোনোভাবে জড়িত থাকতে পারে। তাদের যে রেসপনসিবিলিটি তা অ্যাবজর্ব (হজম) করতে পারবে না। সেখান থেকে তারা কেউ বেরিয়ে আসতে পারে না। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে নিরাপদ সড়ক বিষয়ে এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের যৌথ উদ্যোগে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এগুলোর সবকিছুতে টিকে থাকার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে সেই ক্ষমতার আচ্ছাদন বা Cover of power। তা না হলে, পুলিশ-র‌্যাব সবার নাকের ডগায় বসে এত্তোসব চললো কি করে? কেমন করে যুবলীগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান উমর ফারুক চৌধুরী যিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আপন ‍ফুফাতো বোনের স্বামী, সরকারের পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন? শেষ পর্যন্ত ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান আর চলতে পারেনি।