বাংলাদেশের প্রতিটা নাগরিক পাবেন জনপ্রতি ৫৬,২৫০ টাকা করে

ডক্টর তুহিন মালিক | সংবিধান বিশেষজ্ঞ


করোনা মহামারীর এই দূর্যোগে দেশের প্রতিটা মানুষ পাবেন মাথাপিছু ৫৬,২৫০ টাকা। উদাহরণ হিসেবে, একজন রিকশাওয়ালা উনার ৬ সদস্যের পরিবারের জন্য পাবেন তিন লক্ষ সাতত্রিশ হাজার পাঁচশত টাকা। ৪ সদস্যের একজন ভিখারির পরিবার পাবেন দুই লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকা।

এটা কোন গুজব বা কাল্পনিক কোন হিসাব নয়। এটা কারো সাহায্য বা দানের টাকাও নয়। এটা দেশের প্রতিটা নাগরিকের নিজের প্রাপ্য টাকা। কিভাবে?

আওয়ামী লীগের শাসনামলের গত ১০ বছরে ৯ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে*। এই লুন্ঠিত টাকা জনগণের। আর এই লুন্ঠিত টাকা ফিরিয়ে এনে এই কঠিন দূর্যোগের সময় জনগণের মাঝে ফিরিয়ে দিলে দেশের প্রতিটা নাগরিক পাবেন মাথাপিছু ৫৬,২৫০ টাকা করে। যে টাকাগুলো লুটপাট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে সেগুলোর মালিকানা দেশের আপামর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর। হ্যাঁ, আপনি এটা চাইতে পারবেন না। এটা নিয়ে কথা বলতে ভয় পাবেন। এই টাকার আশাও ছেড়ে দেবেন। কিন্তু তাই বলে কি জনগণের লুন্ঠিত টাকা ফেরতের দাবী জানাতে পারবেন না? দরিদ্র জনগণের এতগুলো টাকা লুটপাট করে, বিদেশে পাচার করা হলো। আর আমরা এই টাকা ফেরতের বিষয়টিকে কাল্পনিকই ভাবছি!

জাতির এই ক্রান্তিকালে লুন্ঠিত টাকা ফেরতের জোড় দাবী জানাতে হবে। ভয় পাবেন কেন? ভয়তো তারাই পাবে, যারা জনগণের হক চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে।

*পাদটীকা ও তথ্য সূত্র-
বিদেশে পাচারকৃত লুন্ঠিত অর্থের পরিমান নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন হিসাব দিয়েছেন। তম্মধ্যে সরকারের নিজেদের স্বীকারোক্তি মতে এর পরিমান হচ্ছে ৯ লাখ কোটি টাকা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ রাশেদ খান মেনন স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের শাসনামলের গত ১০ বছরে ৯ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে।’ রাশেদ খান মেনন উল্লেখিত ১০ বছরের শাসনামলের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। তিনি সরকারেরই অংশ। আওয়ামী মহাজোট সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একজন অংশীদারও। এবং উল্লেখিত শাসনামলের একজন এমপি। তিনি মহাজোটের, মন্ত্রী পরিষদের, সংসদে সরকারী জোটের এবং সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম  ফেসবুক  থেকে নেয়া