দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদ ও নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস

করোনা প্রাদুর্ভাবে ও পবিত্র রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদ এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবী জানিয়েছে মাওলানা মামুনুল হকের সংগঠন বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির ফলে নিম্নবিত্ত সাধারণ জনগণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। দেশের মূল্য পরিস্থিতি এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়-ক্ষমতার বাইরে। তাই আজ জনজীবনে চরম অস্বস্তি বিরাজ করছে, যা জনগণের গোদের উপর বিষফোঁড়ার শামিল।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন,করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে যখন অচল সারাদেশ। বন্ধ হয়ে আছে কল-কারখানা, কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো শ্রমজীবী। এমন পরিস্থিতিতে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি মানে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা ছাড়া আর কিছুই নয়। যা প্রতিনিয়ত
জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে।

জাকির হুসাইন বলেন,বর্তমান বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গিয়েছে। দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির কারণে দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে এবং জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে। ফলে নিম্নবিত্ত ও প্রান্তিক জনগণের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

জাকির হুসাইন আরও বলেন, সরকারকে এখনি কঠোর হাতে অতিলোভী অসাধু এসব ব্যবসায়ীকে দমন করতে হবে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যতালিকা টাঙানো এবং নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের জন্য সব বাজারে দ্রব্যমূল্য মনিটরিং কমিটি গঠনের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকার ও ব্যবসায়ীদের সদিচ্ছাই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করে দেশের সাধারণ মানুষের আরও একটু সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা প্রদানে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে হবে।পাশাপাশি জনগণকে সুফল দিতে হলে দ্রুত রেশনিং, টিসিবি, ন্যায্যমূল্যের দোকান, সুস্থ্যবণ্টন ব্যবস্থা চালু, পাইকারি ও খুচরা বাজারে রাষ্ট্রের প্রভাব-সক্ষমতা সৃষ্টি করে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করারও দাবি জানানো হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে।