ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন লন্ডনের সাবেক মেয়র বরিস জনসন। ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ পার্টি তাদের নতুন নেতা হিসেবে তাকে বেছে নিয়েছে।

তেরেসা মের পরবর্তী উত্তরসূরি হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বিচ্ছেদের জটিল অংক বরিস জনসনকেই মেলাতে হবে। সেজন্য তার হাতে সময় আছে তিন মাস।

দলে বিদ্রোহের মুখে তেরেসা মে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয়ায় নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে ভোটের আয়োজন করে কনজারভেটিভ পার্টি। সেই দৌড়ে শেষ পর্যন্ত সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট।

তাদের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে সোমবার বিকাল পর্যন্ত ভোট দেন কনজারভেটিভ পার্টির ১ লাখ ৬০ হাজার নিবন্ধিত সমর্থক। মঙ্গলবার দুপুরে সেই ভোটের ফলাফলে বিজয়ী হিসেবে বরিস জনসনের নাম ঘোষণা করা হলে তার ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে যাওয়া নিশ্চিত হয়ে যায়।

ব্রেক্সিট ব্যর্থতায় দলে বিদ্রোহের মুখে সরে যেতে বাধ্য হওয়া তেরেসা মে বুধবার বিকালে রানির সঙ্গে দেখা করে আনুষ্ঠানিকভাবে তার পদত্যাগপত্র দেবেন। এর পর পরই তার উত্তরসূরি বাকিংহাম প্যালেস ঘুরে এসে অসীন হবেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পদে।

২০১৮ সালে বরিস জনসন ইসলাম বিদ্বেষী মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছিলেন। জনসন একটি মতামত কলামে লিখেন, মুখ ঢেকে বোরকা পরা মুসলিম নারীদের দেখতে অনেকটা ‘ব্যাংক ডাকাতের’ মতো। তাদেরকে ‘চিঠিরবাক্স’ বলেও মন্তব্য করে ডানপন্থী এই ব্রিটিশ রাজনীতিক।

পরবর্তীতে জনসনের বিরুদ্ধে ইসলাম-বিদ্বেষের অভিযোগ আনা হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। সেইসাথে এজন্য ক্ষমা চাওয়ার বিষয়েও সম্মত হননি তিনি।