ভারতীয় বাহিনী বিএসএফের গুলিতে গুরুতর আহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

সীমান্তে বাকবিতণ্ডার পর ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে গুরুতর আহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সুমন চন্দ্র রায় (১৬) মারা গেছে।

রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চাকলাহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হওয়ায় সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ বাসায় নিয়ে আসা হবে।

রোববার বিকেলে পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার রতনীবাড়ি প্রধানপাড়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ছাত্রের বাড়ি সদর উপজেলার রতনীবাড়ি প্রধানপাড়া গ্রামে। সে ওই গ্রামের পরেশ চন্দ্র রায়ের ছেলে। সুমন চন্দ্র রায় এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে গতকাল বিজিবি জানায়, রোববার বিকেলে শিমুন রায়সহ কয়েকজন নিজেদের পাটক্ষেত জাল দিয়ে বেড়া দিচ্ছিল। এ সময় ভারতের খয়েরবাড়ী সীমান্ত ফাঁড়ির টহলরত বিএসএফ সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে বেড়া দিতে নিষেধ করে। এতে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে এক বিএসএফ সদস্য সুমনকে খুব কাছে থেকে পেটের মধ্যে গুলি করে চলে যায়।

খবর পেয়ে এলাকাবাসী ওই কিশোরকে উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

পরে সেখান থেকে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে বিজিবির নীলফামারী ৬৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মামুনুল হক বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে বিএসফের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করছি। এ ঘটনায় বিএসএফকে প্রতিবাদপত্র পাঠিয়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানোর প্রক্রিয়া চলছে। পতাকা বৈঠকের পর প্রকৃত তথ্য জানানো যাবে।’