মসজিদ খুলে দিতে সরকারের প্রতি আল্লামা শফীর নেতৃত্বে হাইআতুল উলইয়া নেতৃবৃন্দের আহবান

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আরিফ মুসতাহসান


আসন্ন রমজান উপলক্ষে সুস্থ ব্যক্তিদের জন্য মসজিদ খুলে দিতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন হাইআতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান ও হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) হাইআতুল উলইয়ার পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ দাবী জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাস আসন্ন। বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে এ মাসে ইবাদত বন্দেগীতে কাটিয়ে আল্লাহর নিকট দু’আ প্রার্থনা করা জরুরি।

বিবৃতিতে কিছু শর্ত সাপেক্ষে সরকারের নিকট ৫ ওয়াক্ত নামাজ, জুম’আ ও তারাবীহ নামাজের জন্য মসজিদ খুলে দেওয়ার আহবান জানানো হয়।

১. মসজিদে কার্পেট বা কার্পেট জাতীয় কিছু ব্যবহার করা হবেনা। ফ্লোরে নামাজ আদায় করা হবে।

২. জুম’আর খুতবা ও দু’আ সংক্ষিপ্ত করা হবে।

৩. নামাজের আগে ও পরে মসজিদের ভেতরে বা বাহিরে জমায়েত করা হবেনা।

৪. যারা প্রবাস থেকে এসেছেন বা তাদের পরিবার মসজিদে আসবে না।

৫. পঞ্চাশোর্ধ বৃদ্ধ ও ১২-১৩ বছরের নিচে শিশুরা মসজিদে আসবে না।

৬. করোনাভাইরাসের উপসর্গ অর্থাৎ যাদের জ্বর, সর্দি-কাশি, গলা ব্যাথা ও শ্বাসকষ্ট রয়েছে তারা মসজিদে আসবে না।

৭. মেডিকেল কর্মী বা যারা অসুস্থ ব্যক্তির সেবায় নিয়োজিত তারা মসজিদে আসবে না।

৮. যারা মসজিদে এসে সংক্রমণের ভয় করবে তারা মসজিদে আসবে না।

৯. মসজিদ সবসময় পরিস্কার রাখা হবে। সবসময় জীবাণুনাশক ইত্যাদি স্প্রে ব্যবহার করা হবে। সংক্রমণ ছড়ায় এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকা হবে।

১০. মুসুল্লিগণ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে নামাজে দাড়াবে। অন্তত ২ ফুট ফাঁকা রেখে দাঁড়াবে।

উল্লেখ্য শর্তাবলী পালন না করলে প্রশাসন আবারো মসজিদ বন্ধে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।

উক্ত বিবৃতিতে সাক্ষর করেন, হাই আতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও কো চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস।

এছাড়াও আরো সাক্ষর করেন, আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মুফতী মো. ওয়াক্কাস, মাওলানা মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, আল্লামা আতাউল্লাহ ইবনে হাফেজ্জী হুজুর, হযরত মাওলানা আব্দুল হামীদ (পীর সাহেব, মধুপুর), মাওলানা রুহুল আমীন, মাওলানা শামসুল হক।

মাওলানা আব্দুল হালীম বুখারী, মাওলানা আবু তাহের নদভী, মুফতী শাসমুদ্দীন জিয়া, মাওলানা মুহিব্বুল হক, মাওলানা আব্দুল বছীর, মাওলানা আরশাদ রাহমানী, মাওলানা মাহমুদুল আলম, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ, মাওলানা মোহাম্মাদ আলী, মাওলানা সাজিদুর রহমান, মাওলানা মুফতী ফয়জুল্লাহ, মাওলানা মুছলেহুদ্দীন রাজু, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা মুফতী জসীমুদ্দীন, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা আব্দুর রহমান হাফেজ্জী, মাওলানা মুফতী নূরুল আমীন, মাওলানা উবায়দুর রহমান মাহবুব।

মাওলানা মোশতাক আহমদ, মাওলানা নূরুল হুদা ফয়েজী, মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়্যা, মাওলানা ছফিউল্লাহ, মাওলানা মুহাম্মাদ ইসমাইল, মাওলানা মুফতি আব্দুল মালেক, মাওলানা মুফতি দেলোয়ার হুসাইন, মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান সায়ীদ, মাওলানা মুফতি এনামুল হক, মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব, মাওলানা মুফতি মাহমুদুল হাসান, মাওলানা রিজওয়ান, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, মাওলানা মনজুরুল ইসলাম, মাওলানা মাসঊদুল করীম, মাওলানা মুফতি নাজমুল হাসান, মাওলানা মুফতি ইয়াহইয়া, মাওলানা মুফতি সাইফুল ইসলাম, মাওলানা আবুল কালাম প্রমুখ।