মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রাহ.)এর সহধর্মীনির ইন্তিকালে আল্লামা কাসেমীর শোক

বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তীতুল্য সম্পাদক, লেখক, অনুবাদক, প্রাজ্ঞ ইসলামী রাজনীতিবিদ ও আলেম এবং জমিয়তের সাবেক সহসভাপতি মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রাহ.)এর মহীয়সী সহধর্মীনির ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ’র মহাসচিব শায়খুল হাদীস আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী।

রোববার (১০ মে) এক শোকবার্তায় জমিয়ত মহাসচিব বলেন, মরহুম মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রাহ.) শিক্ষা জীবন শেষে পুরো যিন্দেগীই বিভিন্ন পর্যায়ে ইসলামের খেদমতে ব্রত ছিলেন। এ সময় তাঁকে অনেক কঠিন ও জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। দ্বীনের প্রয়োজনে দেশ-বিদেশেও প্রচুর সফর করতে হয়েছে। অনেক সময় দিনের পর দিন ঘরের বাইরে কর্মব্যস্ত থাকতে হয়েছে। মরহুম মাওলানা খান সাহেবের কাছ থেকে যতটা জেনেছি, এ সময়ে তার মরহুমা জীবনসঙ্গীনি সবসময় যেমন তাঁকে প্রেরণা ও সাহস যোগাতেন, তেমনি অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে পরিবার সামলানো ও সন্তানদের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করেছেন। যার ফলে মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রাহ.)এর যোগ্য উত্তরসুরী হিসেবে তাঁর সন্তানরাও দক্ষতার সাথে কর্মজীবন ও জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। যে কারণে এই মহিয়সী নারী একজন ‘রত্নগর্ভা মা’ হিসেবেও সমাদৃত।

আল্লামা কাসেমী মরহুমাকে মাগফিরাত এবং জীবনের নেক আমলসমূহ কবুল করে তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসে স্থান দান করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিশেষভাবে দোয়া করেন।

জমিয়ত মহাসচিব মরহুমার শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে শোকবাণীতে বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাদের সকলকে এই কঠিন বেদনাকাতর শোকে সবরে-জামিল অবলম্বনের তাওফিক দান করুন।

উল্লেখ্য, মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রাহ.)এর সহধর্মীনি আজ রোববার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে গেন্ডারিয়ার নিজ বাসভবনে ইন্তিকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুর সময়ে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮০ বছর।

তিনি দীর্ঘদীন কিডনীর রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। পাঁচ সন্তানের জননী মরহুমার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে মরহুমার রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয়েছে।

Previous post করোনার উপসর্গ নিয়ে এনসিসি ব্যাংকের কর্মকর্তার মৃত্যু
Next post করোনা পরবর্তী মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক জাতীয় অনলাইন সেমিনার আগামীকাল