ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


রাশিয়ার সামরিক বিমান লক্ষ্য করে সতর্কতামূলক গুলি চালিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া৷ সিউলের দাবি, রাশিয়ার যুদ্ধবিমান দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছিল৷ কোরিয়ার পূর্ব উপকূলে ছোট্ট দ্বীপ দোকদো যার মালিকানা দাবি করে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান উভয় দেশ। মঙ্গলবার সেই সীমান্ত এলাকা দিয়ে রাশিয়ার তিনটি বিমান ঢুকে পড়ে৷ এদের মধ্যে দু’টি টিইউ-৯৫ বম্বার্স ও একটি এ-৫০ বিমান৷

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, দেশের আকাশসীমায় ঢুকে পড়া রাশিয়ার তিনটি যুদ্ধবিমানকে সতর্ক করতে ৩৬০ রাউন্ড গুলি ছোঁড়া হয়েছে৷ সিউল বলেছে, তাদের একটি এফ-১৫ ও একটি এফ-১৬ বিমান সতর্কতামূলক গুলিবর্ষণ শুরু করে৷

প্রথমবার স্থানীয় সময় সকাল নয়টায় রাশিয়ার বিমানগুলো তিন মিনিটের জন্য ঢুকে আবার বেরিয়ে যায়৷ আধাঘন্টা পরে আবার দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশসীমায় ঢোকে রাশিয়ার বিমানগুলো৷ এ পর্যায়ে দুই দেশের বিমানগুলো এক কিলোমিটার দূরত্বে চলে আসে৷

দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শক চুং এউই-ইয়ং বলেছেন, ‘‘আমরা ঘটনাটি কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি এবং এমন কিছু আবারো ঘটলে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে৷”

এদিকে, দোকদো দ্বীপকে জাপান তাকেশিমা বলে সম্বোধন করে৷ তাদের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘‘আমরা জানতে পেরেছি, রাশিয়ার বিমান একাধিকবার তাকেশিমার কাছে আমাদের আকাশসীমা অতিক্রম করেছে৷ আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছি৷”

তবে রাশিয়া এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷ তাদের বক্তব্য হলো, সিউল যাকে নিজেদের আকাশসীমা বলছে, তাকে মস্কো স্বীকৃতি দেয় না৷ এটা তাদের নিজেদের ‘বানানো আকাশসীমা’৷