ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


রাষ্ট্রায়ত্ত্ব চার ব্যাংকে সব ধরনের রিফাইন্যান্সিং (পুনঃঅর্থায়ন) করা হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তিনি বলেন, সরকারের চাহিদা হল আমাদেরকে খেলাপি ঋণ বাড়াতে পারবে না। কমপক্ষে ১৫ শতাংশ লাভ করতে হবে প্রতি বছর।

রোববার (২৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নবনিযুক্ত সরকারি ব্যাংকের এমডি, সিইওদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান তিনি।

সোনালী, রূপালী, জনতা ও অগ্রণী- রাষ্ট্রায়ত্ত এ চার ব্যাংককে মূলধন ঘাটতি বা অন্য কোনো কারণ সত্ত্বেও নিজের টাকায় চলতে হবে। এমনকি বাজেট থেকেও দেয়া হবে না নির্দিষ্ট অংকের বরাদ্দ।

ভুয়া কাগজপত্রে ঋণ দেয়াসহ বেশ কিছু অনিয়মের কারণে চতুর্মুখী সংকটে দেশের ব্যাংকিং খাত। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। যার কারণে সমালোচনার মুখে সরকারও। পরিস্থিতির উত্তরণে সম্প্রতি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব চার ব্যাংকের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পরিবর্তন এনেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বৈঠকে জানানো হয়, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সংকট উত্তরণে করণীয় নির্ধারণে রাষ্ট্রায়াত্ব ৪ টি ব্যাংক তাদের কর্মপরিকল্পনা অর্থ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ, অর্থ-সচিব আবদুর রউফ তালুকদার, সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী, রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান জামালউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।