শহীদ বাবরি মসজিদ রায়ের মুসলিম বিচারপতি আব্দুল নাজির

November 10, 2019 আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শহীদ বাবরি মসজিদের ভূমি নিয়ে উগ্রবাদী কট্টর হিন্দুদের করা অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করেছে ভারতের সুপ্রিমকোর্ট। রায়ে শহীদ বাবরি মসজিদের উপর রাম মন্দির নির্মাণ করতে হিন্দুদের নির্দেশ দিয়েছে প্রশ্নবিদ্ধ এই আদালত।

শনিবার (৯ নভেম্বর) দেশটির সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ  এ রায় দেয়।

বিচারক বেঞ্চের পাঁচ সদস্যের মধ্যে একমাত্র মুসলমান বিচারপতি হচ্ছেন আবদুল নাজির। ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। এরপর দীর্ঘ ২০ বছর তিনি কর্নাটক হাইকোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। ২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমে একজন অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর ওই বছরেই স্থায়ী বিচারক হিসেবে তিনি নিয়োগ পান।

২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক মনোনীত হন এই আব্দুল নাজির।ওই বছরের আগস্টে পত্রিকার শিরোনামে আসেন তিনি। তদানীন্তন প্রধান বিচারপতি জেএস খেহারসহ যে বেঞ্চ ইসলামের তিন তালাককে নৈতিকতাবিরোধী ধর্মতত্ত্ব বলে আখ্যায়িত করেছিলো, সেখানেও একমাত্র মুসলিম বিচারক ছিলেন আবদুল নাজির।


পাকিস্তান থেকে ১৫ বছর পর পেঁয়াজ আমদানি করছে বাংলাদেশ

নভেম্বর ১০, ২০১৯ | নিজস্ব প্রতিনিধি


পাকিস্তান থেকে অন্তত ১৫ বছর পর পেঁয়াজ আমদানি করছে বাংলাদেশ।

জানাগেছে, সম্প্রতি করাচি ভিত্তিক রোশান এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে ঢাকার তাসো এন্টারপ্রাইজের মধ্যে ৩০০ টন পেঁয়াজ নিয়ে চুক্তি হয়েছে।

পাকিস্তানের দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রেড ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি অব পাকিস্তানের (টিডিএপি) এক কর্মকর্তা খবরটি নিশ্চিত করেছেন।

এতে বলা হয়, প্রতিবেশী দেশের ওপর ভারতীয় সবজি রপ্তানির নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।

ওই কর্মকর্তা জানায়, কমপক্ষে ১২ কনটেইনার পেঁয়াজ বাংলাদেশে যাবে। এরপর আরও রপ্তানি হবে।

ভারতীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তান সম্ভাব্য বাজার হিসেবে হাজির হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

তিনি আরও জানান, পেঁয়াজ বাণিজ্য নিয়ে দুই দেশের সরকারও একমত হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ প্রতিবছর ৭ লাখ থেকে ১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করে। এর ৭৫ ভাগই যায় ভারত থেকে।

পাকিস্তানি পণ্যের বাজার হিসেবে বাংলাদেশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য বলেও জানানো হয় প্রতিবেদনে। এশিয়ার মধ্যে চীনের পর বাংলাদেশেই বেশি পণ্য রপ্তানি করে দেশটি।

স্থানীয় বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য তুরস্ক, মিয়ানমার ও মিসরের মতো বিকল্প বাজারের সন্ধান করছে ঢাকা।