সত্যিকারের সেলিব্রেটি তো তারাই, যারা ঐশী জ্ঞানের অধিকারী

ডক্টর তুহিন মালিক | আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ


সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হলো মানুষ। আর মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ তারাই, যারা জ্ঞানসম্পন্ন। আর সমস্ত জ্ঞানের মধ্যে শ্রেষ্ঠ জ্ঞান হলো আল্লাহ প্রদত্ত ঐশী জ্ঞান। অর্থাৎ আল্লাহর কালাম বা আল কোরআন। আর এই ঐশী জ্ঞানের অধিকারীরাই হচ্ছেন শ্রেষ্ঠতম জ্ঞানী।যাদেরকে বলা হয় আলেম। স্বয়ং আল্লাহ পাক আলেমদেরকে উচ্চতর মর্যাদা দিয়েছেন (সূরা মুজাদালা, আয়াত:১১)। তাদের বানিয়েছেন তাওহিদের অন্যতম সাক্ষী (সূরা আল-ইমরান, আয়াত:১৮)।

একজন আলেমের সবচেয়ে বড় মর্যাদা হলো, তিনি নবীর ওয়ারিশ। রাসূল (সাঃ) বলেন, ‘আবিদের ওপর আলেমের ফজিলত এরূপ, যেরূপ পূর্ণিমার রাতে চাঁদের ফজিলত সব তারকারাজির ওপর। আর আলেমরা হলেন নবীদের ওয়ারিশ। নবীরা দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) ও দিরহাম (রৌপ্যমুদ্রা) মিরাস হিসেবে রেখে যান না। বরং তাঁরা রেখে যান ইলম। কাজেই যে ব্যক্তি ইলম হাসিল করল, সে প্রচুর সম্পদের মালিক হলো।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৩৬৪২, জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৬৪৬)

তাই আমরা যারা ইলমে দ্বীন সম্পর্কে একটু কম জানি, আমাদের দায়িত্ব হলো আলেমদেরকে ভালোবাসা। তাদের যথাযথ সম্মান করা। আলেমদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ইলম শিখে নেয়া। এটা আমাদের নিজেদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যানের জন্যই প্রয়োজন।

অন্যদিকে আলেমদেরও উচিত নিজেদের স্বকীয়তা, নিরপেক্ষতা, সর্বজনীনতা এবং গ্রহণযোগ্যতাকে সঠিকভাবে বজায় রাখা। আলেমরা তাওহিদের অন্যতম সাক্ষী। নবীর ওয়ারিশ। দ্বীনি ইলমের ফেরিওয়ালা। এর চাইতে উত্তম মর্যাদা তাদের জন্য আর কী হতে পারে?

তাই সত্যিকারের সেলিব্রেটি তো তারাই, যারা ঐশী জ্ঞানের অধিকারী। যাদের অন্তরটা জুড়ে আছে ৩০ পারা কোরআন দিয়ে।