সাকিবের নিষেধাজ্ঞায় ক্ষুদ্ধ পাকিস্তানি ক্রিকেটার সাকলাইন মুশতাকের তিন প্রশ্ন

নভেম্বর ২, ২০১৯ | অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের ওপর ভারতীয় জুয়াড়ির কাছ থেকে প্রস্তাব পাওয়ার তথ্য গোপনের দায়ে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা (এক বছর স্থগিত) জারি করা হয়েছে।

এর ফলে অনেকেই ক্ষুদ্ধ হয়েছেন। আইসিসি এবং বিসিবির প্রতি প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে কিংবদন্তীরা।

পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার সাকলাইন মুশতাক একটা সময় বাংলাদেশের স্পিন কোচ ছিলেন তিনি। সাকিবদের কোচিং করিয়েছেন। শিষ্যর এমন নিষেধাজ্ঞার খবর শুনে মনটাকে যেন বাঁধ দিতে পারছেন না পাকিস্তানের কিংবদন্তি এই অফস্পিনার।

‘সাকলাইন মুশতাক শো’ নামের প্রায় ৮ মিনিটের এক অনুষ্ঠানের পুরোটা জুড়ে সাকিবের পক্ষেই কথা বলে গেছেন সাকলাইন।

তিনি বলেন, ‘সাকিব আল হাসান বিশ্বের অনেক বড় নাম। বাংলাদেশের অনেক বড় খেলোয়াড়। বাংলাদেশের যত সাফল্য; ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি বা টেস্ট, যত ম্যাচই বাংলাদেশ জিতেছে, তার মধ্যে আসল অবদান সাকিবের। সে এমন একজন খেলোয়াড় যে ম্যাচ জেতাতে পারে, ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। পুরো বিশ্বে তার নাম, বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার তাকে সবাই মানে। ব্যাটিং বা বোলিং যে কোনো কিছু দিয়েই সে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। ম্যাচ উইনার দুই দিক থেকেই। বড় ব্রেইনের অধিকারী।’

‘তিনটি প্রশ্ন আমার মনে আসছে। আইসিসি প্রথমে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে পরে এক বছর কমিয়ে দিলো। তিনটি প্রশ্ন আমার। কিছুদিন আগে বিসিবির সঙ্গে একটা ঝামেলা চলছিল। সেখানে খেলোয়াড়রা ধর্মঘট করে, সেটা একটা পর্ব। যেখানে সাকিব ছিল এই আন্দোলনের সামনের দিকে। গণমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সেটাই জানতে পেরেছি আমরা। এটা একটা ইস্যু।’

সাকলাইন মুশতাক বলেন, ‘আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, ২০১৭ আর ২০১৮ সালের মধ্যে তিনবার জুয়াড়ি তাকে প্রস্তাব করেছে। সেটার ফল আসতে দুই বছর লাগলো! আইসিসির এন্টি করাপশন ইউনিট এত বড় সংস্থা, তাদের কোনো খবরই ছিল না? আইসিসি কি করেছে? আইসিসি লোকদের বিভিন্ন কাজে পাঠায়, সবকিছু নজরদারি করে। তখন তারা কি করেছে? এটা আমার প্রশ্ন।’

তিনি বুলেন, ‘এবার সাকিব আল হাসানের কথা বলি। দেড় অথবা পৌনে দুই বছর আগে জুয়াড়ি তাকে প্রস্তাব দিয়েছিল। সে কিন্তু ফিক্সিংয়ে জড়িত ছিল না। সে হয়তো জানায়নি। কাকে জানায়নি, বিসিবি নাকি আইসিসিকে? সাকিব কি বিসিবিকে জানিয়েছিল? যদি সাকিব বিসিবিকে জানিয়েই থাকে, তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা কেন সেটা আইসিসিকে জানায়নি? আর যদি সে না জানায়, তবে সেটা তার ভুল।’

‘তারপরও আমি আইসিসি আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে বলতে চাই, সে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। সে সেটা গ্রহণ করেনি। এটা তো দেখতে হবে? যদি প্রস্তাবটা গ্রহণ করতো, তবে আলাদা ব্যাপার ছিল। কিন্তু সে তো এটা করেনি। জুয়াড়ি প্রস্তাব করেছে, সে রাজি হয়নি।’

সাবেক এই অফস্পিনার বলেন, ‘কোন সে জুয়াড়ি? তারা একটা মাফিয়া চক্র, পুরো গ্যাং থাকে। আইসিসি বা বিসিবির এখানে কিছুই করার নেই। কেননা তাদের হাত এত বড়, সেখানে যাওয়ার মতো ক্ষমতা নেই তাদের।’

‘সবকিছুর পর আমি এটাই বলতে চাই, যদি সাকিব বিসিবিকে জানিয়ে থাকে। তবে দোষ বিসিবির, সাকিবের নয়। আর যা কিছুই হোক, যদি আইসিসির এমন নিয়ম থাকে যে, না জানালে নিষিদ্ধ করব। তবু বলব, এমন ঘটনা যেহেতু এবারই প্রথমবারের মতো হয়েছে (সাকিবের বেলায়)। তাই তাকে ছেড়ে দেয়া উচিত। কেননা এতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের বড় ক্ষতি হয়েছে, ক্ষতি হয়েছে সাকিবেরও।’

পাকিস্তানি তারকা খেলোয়াড় আরও বলেন, ‘আমি এতটুকুই বুঝি, ক্ষমার দরজা খোলা রাখা উচিত। কারণ ভুলটা বড় নয়, সে ফিক্সিং করেনি। আর যদি সে বিসিবিকে জানিয়ে থাকে, বিসিবি সেটা চেপে যায়। আর পেছনে যদি অন্য কোনো ঘটনা থাকে। খেলোয়াড়রা ধর্মঘটে গিয়েছে, সেজন্য সুযোগ বুঝে আগের কিছু ধরা হয়েছে। যদি এমন কিছু থাকে? আল্লাহ জানেন, বলতে পারব না।’

Shakib Al Hasan banned | ICC Anti-Corruption Code | Banned for two years | Saqlain Mushtaq Show

Shakib Al Hasan banned for two years for breaching ICC Anti-Corruption CodeAll Rounder Shakib Al Hasan ?? Corruption#ShakibAlHasanBan#ShakibAlHasan #ICC #INDvBANThis and much more. Subscribe to YouTube Channel of Saqlain Mushtaq Show and share this video with all your friends!FOLLOW:Facebook: https://www.facebook.com/mrsaqlainmushtaqofficialInstagram: https://www.instagram.com/saqlain_mushtaq_Twitter: https://twitter.com/saqlain_mushtaqYouTube: https://www.youtube.com/saqlainmushtaqshow_new

Posted by Saqlain Mushtaq on Thursday, 31 October 2019