সিলেটে আইসোলেশন সেন্টারে নেই আইসিইউ সুবিধা, নেই পর্যাপ্ত পিপিই

মহামারী আকারে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) ছড়িয়ে পড়ায় সিলেটে আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে ঘোষণা করা শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে নেই নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র আইসিইউ ইউনিট।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য সিলেট নগরীর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালকে আইসোলেশন ইউনিট হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে সিলেট বক্ষব্যাধি হাসপাতাল ও শাহপরান (র.) হাসপাতালকে। এই হাসপাতালগুলোর কোথাও নেই আইসিইউ সুবিধা।

এছাড়া এখানকার অনেক হাসপাতালেই চিকিৎসক-নার্সদের জন্য নেই পর্যাপ্ত পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকশন ইকুইপমেন্ট)। করোনাভাইরাস শনাক্তের ব্যবস্থাও নেই এখানে।

সন্দেহভাজন কেউ ভর্তি হলে ঢাকায় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট (আইইডিসিআর)-এর অপেক্ষায় থাকতে হয়।

এদিকে সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেছেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুতি পর্যাপ্ত রয়েছে।

গত সোমবার সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সিলেটের প্রস্তুতির চিত্র তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম।

সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. প্রেমানন্দ মণ্ডল বলেন, চিকিৎসকদের পিপিই আসতে শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত যা এসেছে তা যথেষ্ট। তবে করোনা পরীক্ষার কোনো টেস্টিং কিট পাওয়া যায় নি। কিট দিয়ে পরীক্ষা শতভাগ নির্ভুল নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এখনো কাউকে আইসিইউতে নেবার প্রয়োজন পড়েনি। তবে যদি কখনো এমন প্রয়োজন হয় তখন দেখা যাবে। প্রয়োজনে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের সাহায্য নেয়া হতে পারে।

এছাড়া রোববার করোনা আক্রান্ত সন্দেহে শহিদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করা যুক্তরাজ্য ফেরত নারীর পরীক্ষার রিপোর্ট এখনো আসেনি বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, প্রবাসী অধ্যুষিত হওয়ায় সিলেটকে করোনা সংক্রমণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে গত রোববার করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক প্রবাসী নারী মারা গেছেন।