ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | বিশেষ প্রতিনিধি


আতিকুর রহমান নান্নু ইসলামী আন্দোলনের সাবেক এক আলোচিত নেতা। ২০১৩ সালের হেফাজতের উত্তাল আন্দোলনের সময় তিনি হেফাজত বিরোধী বই প্রকাশের কারণে সমালোচিত হয়েছিলেন। গতকাল থেকে আবারো তিনি আলোচনায় আসেন খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মাধ্যমে।

যোগদানের আগ পর্যন্ত তাঁকে সকলে ইসলামী আন্দোলনের নেতা জানলেও দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন ভিন্ন কথা।

আজ এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, নীতিমালা লঙ্ঘন, শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অপরাধে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবেক সভাপতি আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে অনেক আগেই বহিষ্কার করা হয়েছ।

বহিস্কারের বিষয়টি খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের আগে কেন প্রকাশ করা হয়নি, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম ইনসাফকে বলেন, আতিকুর রহমান নান্নু বেশ আলোচিত একজন নেতা। তিনি দীর্ঘদিন যাবত ইসলামী আন্দোলনের দায়িত্বশীল ছিলেন। তার অবদান রয়েছে আন্দোলন সংগ্রামে। বিশেষ করে দেওয়ানবাগ বিরোধী আন্দোলনে তিনি সামনের সারিতে ছিলেন। সে সময় অনেক মামলা-মোকদ্দমায় পড়তে হয়েছিল তাকে। এখনো তিনি অনেকগুলো মামালায় আসামি হয়ে আছেন। কিন্তু ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি সুশৃঙ্খল আদর্শিক রাজনৈতিক দল। প্রতিটি দলের মত এখানে নির্ধারিত নিয়ম নীতি মেনে যুক্ত থাকতে হয়। আতিকুর রহমান নান্নু বারবার দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। তাকে বারবার সতর্ক করা হলেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি। সংশোধন হননি। তাই ২০১৭ সালে তাকে দলের প্রাথমিক পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়। যেহেতু তার বিরুদ্ধে দেওয়ানবাগীদের অনেকগুলো মামলা রয়েছে, তাই আমরা বহিষ্কারের বিষয়টি মিডিয়ায় দেইনি, কারণ এতে দেওয়ানবাগীরা তার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ পেয়ে যাবে। দলের সাথে যুক্ত থাকার কারণে যেটা করার তারা সাহস করতে পারছিল না। মূলত এজন্যই আমরা বিষয়টাকে মিডিয়ায় আনা থেকে বিরত ছিলাম। তবে সাংগঠনিক ভাবে সংগঠনের সকল স্তরে তখনই বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়েছিল।