৩ উপজেলা থেকে ১৪২ বস্তা চাল উদ্ধার

কিশোরগঞ্জে তিন উপজেলা থেকে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির (ওএমএস) ১৪২ বস্তা চালসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার সকালে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার জেলার কটিয়াদী, কুলিয়ারচর ও তাড়াইল উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত তিনটার দিকে কটিয়াদী উপজেলার করগাঁও এলাকা থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৩৯ বস্তা সরকারি চাল বিক্রি করার অভিযোগে সেবা এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী নিখিল চন্দ্র সরকার (৫৫) নামে এক চাল ডিলার ও নাছির উদ্দিন (৪৫) নামে ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশ। মঙ্গলবার তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এম এ জলিল জানান, সরকারের ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিক্রি করে দিয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে করগাঁও বাজারে অভিযান চালানো হয়।

করগাঁও বাজারের একটি গুদাম থেকে ৫০ কেজির ৩৪ বস্তা ও ৩০ কেজির ৪ বস্তা চালসহ মোট ৩৯ বস্তা চাল বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়।

এদিকে সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের আনন্দবাজার মাজার শরীফের পাশে ডিলার নাসির উদ্দিনের গুদাম থেকে অবিতরণকৃত ৫৭ বস্তা চাল উদ্ধার করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়াৎ ফেরদৌসী।

এ সময় ডিলার নাসির উদ্দিনকে আটক করা হয়। পরে কুলিয়ারচর থানায় মামলা করা হয়। মঙ্গলবার সকালে তাকে কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবাইয়াৎ ফেরদৌসী বলেন, গত এক মাসে এসব চাল বিতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু ডিলার নাসির উদ্দিন এসব চাল বিতরণ না করে অরক্ষিত অবস্থয় রেখে দেন। এমন খবর পেয়ে আমরা ৫৭ বস্তা চালসহ ডিলার নাসির উদ্দিনকে আটক করেছি।

অপরদিকে সোমবার বিকেল ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৭ বস্তা চালসহ তাড়াইল উপজেলার দামিহা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি রমজান আলীকে আটক করে পুলিশ।

পরে তাড়াইল থানায় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রমজান আরও ২৯ বস্তা চালের সন্ধান দিলে সেগুলোও উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। পরে মঙ্গলবার সকালে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।