রিজেন্ট এর প্রতারক সাহেদকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে: চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতী মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতের সীমাহীন দুর্নীতির সর্বশেষ বহি:প্রকাশ রিজেন্ট হাসপাতালের কোভিড-১৯ টেস্ট জালিয়াতি। সরকারি দলের আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবে পরিচিত রিজেন্ট হাসপাতাল এর চেয়ারম্যান প্রতারক সাহেদ।

সরকার দলীয় পরিচয়ে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে দাপটের সাথে চলাফেরা করেছে সে। এ পরিচয়ে বিভিন্ন টিভি টকশোতে সে প্রকাশ্যে সরকারি দলের হয়ে কথা বলেছে। র‌্যাবের প্রশংসনীয় অভিযানের ফলে রিজেন্ট হাসপাতালের জালিয়াতি ও সাহেদের দুর্নীতি ও প্রতারণা প্রকাশ পেয়েছে। প্রতারক সাহেদকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে এবং তার অপকর্মের সাথে জড়িত সরকার দলীয় সংশ্লিষ্টদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

মুফতী রেজাউল করীম বলেন, ৬ বছর ধরে অনুমোদনহীন হাসপাতালকে করোনা টেস্টের সুযোগ দিয়ে দুর্নীতি ও প্রতারণাকে সরকার উৎসাহিত করছে। রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদের এতো অপকর্মের পরও সে কিভাবে সরকারের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিদের সাথে ঘনিষ্ঠপূর্ণ ছবি আপলোড করে এবং ক্ষমতাসীন দলের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতারণা করেছে তা ভাবিয়ে তুলেছে। তার হাসপাতালের মেয়াদ ৬ বছর পূর্বে শেষ হওয়ার পরও কিভাবে করোনা টেস্টের অনুমোদন পায়, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

তিনি বলেন, এই প্রতারকের সাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তিই প্রমাণ করে দেশের চিকিৎসা সেবা কোন পর্যায়ে? এতো অপকর্ম করে সাহেদ কিভাবে টিকে থাকলো, প্রশাসন বা দেশের চালিকা শক্তি বলে কি কেউ নেই? স্বাস্থ্যখাতে বিরাজমান দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা দূর করে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।