পদত্যাগের বিষয়ে আমাদের স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন প্রধানমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমেরিকা ও ইউরোপসহ প্রত্যেক দেশেরই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় করোনা পরিস্থিতিতে নানাভাবে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। আমাদের দেশেও সেটির ব্যতিক্রম হয়নি। নেদারল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তো এই পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে নিজেই পদত্যাগ করেছেন। তবে আমাদের মন্ত্রী থাকবেন কী, থাকবেন না সেটা সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, এখন অনেক সমন্বিতভাবে এই করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং সে কারণে আমাদের দেশে মৃত্যুর হার খুব কম।

স্বাস্থ্য খাত নিয়ে সংসদে আলোচনা-সমালোচনাকে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হিসেবে আখ্যা দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে যেভাবে আলোচনা হয়েছে, এটিই ‘বিউটি অব দ্য ডেমোক্রেসি’। এভাবেই গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, গণতন্ত্র এগিয়ে যায়। আমি মনে করি, সংসদের আলোচনাটি দায়িত্ব পালনে এবং গণতন্ত্রকে সংহত করার ক্ষেত্রেও সহায়ক।


এছাড়া ‘সরকার পাট খাত ধ্বংস করছে’, ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের এ বক্তব্যের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিই পাট খাত ধ্বংস করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল এবং প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। বিএনপি’র আমলে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের পরামর্শ অনুযায়ী তারা আদমজিসহ অনেক জুটমিল বন্ধ করে দিয়েছিল। আবার অনেক শত শত কোটি টাকার জুটমিল কয়েক কোটি টাকায় ব্যক্তিমালিকানায় বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। এটি শুধু খালেদা জিয়া করেছেন তা নয়, জিয়াউর রহমানের আমল থেকে সেটি শুরু হয়েছিল।’

মন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান সরকার কোনও পাটকল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। বরং পাট খাতকে ঢেলে সাজানোর অংশ হিসেবে এবং এই পাট খাতের উন্নতির জন্য সংস্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।