বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়ণকেন্দ্র তৈরি করল বাংলাদেশ

দেশতো বটেই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবে উদ্বাস্তু হওয়া মানুষের জন্য, বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়ণকেন্দ্র প্রস্তুত হয়েছে কক্সবাজারে। শুধু আবাস নয়, এখানে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলোর স্থায়ী পুনর্বাসন ও আর্থিক সচ্ছলতা আনতেও, কর্মসূচি হাতে নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাথমিকভাবে ৬শ’ পরিবার ঠাঁই পাবেন সুদৃশ্য অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রকল্পটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

কক্সবাজার সদরের এয়ারপোর্ট সংলগ্ন কুতুবদিয়া পাড়া। ১৯৯১ সালে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর ভিটে মাটি হারানো মানুষদের বসবাস এখানে।

দুর্যোগ থেকে বাঁচতে জায়গাটিতে আশ্রয় নিলেও দুর্ভোগ এখনো নিত্যসঙ্গী এসব মানুষের। নবনির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পে নিজেদের স্থায়ী ঠাঁই হওয়ার খবরে নতুন স্বপ্ন দেখছেন বাস্তুহারা ভুক্তভোগীরা।

তারা বলেন, এখানে পানির মধ্য থাকি। ওখানে গেলে আমাদের অনেক সুবিধা হবে। অনেক সুবিধা পাবো।

সদরের খুরুশকুল মৌজায় ১ হাজার ৮শ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫৩ একর জমিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প গড়ে তুলেছে সরকার। যেখানে পাঁচতলা বিশিষ্ট ১৯টি ভবন এখন প্রস্তুত। প্রথমভাগে ৬শ’ পরিবার এবং পরবর্তীতে ১শ ৩৯ টি ভবন নির্মিত হলে এখানে বাস করবেন সাড়ে চার হাজারের বেশি পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তদারকিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর মেজর জেলারেল মাঈন উল্লাহ চৌধুরী বলেন, এটি একটি লো লাইন এলাকা ছিল। এটাকে পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক ও প্রকল্প পরিচালকের দাবি, স্থায়ী নিবাসের পাশাপাশি টেকসই কর্মসংস্থান হবে বাসিন্দাদের। বাড়বে পর্যটকদের আনাগোনা।

প্রকল্প পরিচালক মাহবুব হোসেন বলেন, উনাদের বেশিরভাগই হলো মৎস্যজীবী। তাদের সবাইকে বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।


পাঁচতলা বিশিষ্ট প্রত্যেকটি ভবনে বাস করবে ৩২ পরিবার। থাকছে উপাসনালয়, স্কুলসহ অন্যান্য নাগরিক সুবিধাও।

About |

Check Also

প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়ক দিয়ে চলছে বাংলাদেশ: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে …