আমেরিকায় জরুরি অবস্থা জারি করে ক্ষমতায় থাকার ফন্দি ট্রাম্পের

আগামী নভেম্বর মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। সম্প্রতি নির্বাচন পেছানোর বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য ঘিরে নানান কানাঘুষা শুরু হয়েছে। জয় নিশ্চিত না হলে শেষ পর্যন্ত তিনি জরুরি অবস্থা জারি করে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করতে পারেন বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

এমনই একজন হলেন হাউস মেজরিটি হুইপ জেমস ক্লাইবার্ন। তার মতে, নভেম্বরের নির্বাচনে হারলে মোটেই শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন না ট্রাম্প।

সাউথ ক্যারোলিনা থেকে ভোটে দাঁড়ানো ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী রবিবার সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, হোয়াইট হাউস ছেড়ে যাওয়ার কোনোও পরিকল্পনাই নেই ট্রাম্পের। এমনকি দেশে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হতেও দেবেন না তিনি।

ক্লাইবার্ন বলেন, ‘আমার স্থির বিশ্বাস, প্রেসিডেন্ট পদে নিজেকে আরও একবার প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে ট্রাম্প দেশে কোনো না কোনোভাবে জরুরি অবস্থা জারি করতে পারেন।’

সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘ট্রাম্পের এই অভিপ্রায় যাতে সফল না হয়, তা নিশ্চিত করতে জেগে উঠতে হবে আমেরিকার নাগরিকদের।’

এবার ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ইমেইলে ভোটের প্রস্তাব সামনে এসেছে। আর এখানেই আপত্তি প্রেসিডেন্টের।

ইমেইলের ভোটের অনিয়মের কথা তুলে ধরে বৃহস্পতিবার প্রথম খোলাখুলি নভেম্বরের নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

তাৎক্ষণিক ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের সমালোচনায় মুখর হয় বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা। রাজনৈতিক চাপের মুখে পরে নিজের কথা থেকে সরে এসে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি দেরি করতে চাই না। সময়েই নির্বাচনটা চাই।’

‘তবে আমি এটাও চাই না যে, তিন মাস অপেক্ষা করার পর এটা দেখা যাক যে সব ব্যালট হারিয়ে গিয়েছে। এভাবে নির্বাচনের কোনো মানে হয় না’ খোঁচা দিতে ছাড়েননি তিনি।

অন্যদিকে সেনেটে মেজরিটি লিডার মিচ ম্যাক’কনেল রবিবার বলেছেন, প্রত্যেক রাজ্যকে ক্ষমতা দেওয়া উচিত কীভাবে নির্বাচন করবে তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

About |

Check Also

‘রাশিয়া থেকে আর্মেনিয়া ক্ষেপণাস্ত্র পাচার করছে’

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ অভিযোগ করে বলেছেন, ব্যক্তি মালিকানাধীন বেসামরিক বাণিজ্যিক কার্গো বিমানে করে রাশিয়া …