প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট নবায়নে ফি’র বৈষম্য দূর করুন : ই. আ. বাংলাদেশ

প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট নবায়ন ফি’র ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, প্রবাসীরা বহু ত্যাগ তিক্ষিকার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করে থাকেন। অথচ প্রবাসীদের খবর নেওয়ার জন্য সৎ দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বড়ই অভাব।

বিবৃতিতে তিনি অত্যন্ত আক্ষেপ করে বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাস প্রবাসীদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করে দুইভাগে বিভক্ত করে রেখেছে। যাদের স্থানীয় আইডি কার্ড বা ভিসার পেশা, ফোরম্যান, ম্যানেজার, কমার্শিয়াল প্রমোটর, ফার্মাসিস্ট, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার এদের পাসপোর্ট নবায়ণ ফি নেয়া হয়। একধরণের এবং অন্যান্যদের থেকে নেওয়া হয় আরেক ধরণের। যেহেতু পাসপোর্টে পেশার কথা উল্লেখ নেই, তাই সকল প্রবাসীর পাসপোর্ট নবায়ন ফিও এক হওয়াই যুক্তিসঙ্গত। এছাড়া অটো প্রফেশনের পেশার ব্যক্তির্গের স্ত্রীগণ পদাধিকার বলে অটোপ্রফেশনের অধিকারী হয়ে যাবে। মানে ম্যানেজারের স্ত্রী ম্যানেজার বলে গণ্য। তাই তাকে পাসপোর্ট নবায়নের জন্য পরিশোধ করতে হয় পাঁচগুন। ওয়ান্ডারফুল প্রফেশনে বাবার প্রফেশন যদি ইঞ্জিনিয়ার হয়, তবে নবজাতক শিশুটিও সেই পদমর্যাদা পায়। অর্থ্যাৎ সেই শিশুর পাসপোর্ট ফিও ওয়ান্ডারফুল প্রফেশন হিসেবে সাধারণের চেয়ে প্রায় পাঁচগুন ফি দিতে হয়।

তিনি বলেন, ভিসার পেশার সাথে পাসপোর্ট নবায়ন ফি ভিন্ন হবে কেন? যদি পাসপোর্টের ফি ভিন্ন হয়, তবে পাসপোর্টও ভিন্ন হওয়ার কথা।

তিনি বলেন, ফোরম্যান, ম্যানেজার, কমার্শিয়াল প্রমোটর, ফার্মাসিস্ট, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার এদের স্ত্রী ও সন্তানরা অটো ও ওয়ান্ডারফুলভাবে পদমর্যাদা প্রাপ্তির নজির বিশ্বের কোথাও নেই। অতএব সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল প্রবাসী বাংলাদেশীর পাসপোর্ট নবায়ন ফি একই ধার্য করে বৈষম্য দূর করতে হবে।