ভারতের কেরালায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত

সকাল থেকেই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল কেরালায়। আবহাওয়া খুব থারাপ ছিল। এর মধ্যেই দুবাই থেকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিয়ে রাতে কোঝিকোড় বিমানবন্দরে নামতে যায় এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি। বিমানে ১৯১ জন যাত্রী ও বিমানকর্মী ছিলেন। বৃষ্টির মধ্যে বিমানটি নামতে যায়। দৃশ্যমানতাও তখন ভালো ছিল না।

রানওয়েতে নামার পরই বিমানটি পিছলে যায়। ধাক্কা মারে বিমানবন্দরের পাঁচিলে। কোঝিকোড়ের বিমানবন্দরকে বলা হয় টেবিল টপ বিমানবন্দর। কারণ বিমানবন্দরের পাঁচিলের পরেই ৩০ ফুট নীচে উপত্যকা। সেখানেই পড়ে যায় বিমানটি। দুই টুকরো হয়ে যায়।

বিমানের পাইলট ও সহ পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। মারা গেছেন দুই বিমানকর্মী। অন্তত ছয় জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বিমানের সামনের দিকে যাঁরা বসেছিলেন, তাঁরা গুরুতর আহত হয়েছেন। রাতের খবর, বিমানের সব যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৪৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাই মৃতের সংখ্তযা বাড়তে পারে। বিমানের পিছনের দিকে যাঁরা বসেছিলেন, তাঁরা বেঁচে গেছেন। তাঁদের সামান্য আঘাত লেগেছে। বিমানের এক যাত্রীর আত্মীয় আব্দুর রহমান ইন্ডিয়া টুডে টিভিকে বলেছেন, তাঁর ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী ও বাচ্চা হাসপাতালে আছেন। তবে ভালো আছেন। ফোনে তাঁদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৫০ জনের এনডিআরএফ দল পৌঁছে গেছে। প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে।

বিমানটি ছিল ১৩ বছরের পুরনো। পাইলট ক্যাপ্টেন শাঠে অভিজ্ঞ বিমানচালক ছিলেন। যেহেতু বিমানটি

ওপর থেকে নিচে পড়ে, তাই সামনের দিকটা সব চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোঝিকোড় বিমানবন্দরের চারদিকে ছোট পাহাড় আছে। এমনিতেই এখানে বিমান নামানো মুশকিল। তার ওপর প্রবল বৃষ্টিতে রানওয়ের অবস্থা আরো খারাপ ছিল। তার ওপর আবহাওয়া ও রানওয়ের অবস্থা পাইলটকে ঠিক ভাবে জানানো হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা।

About |

Check Also

‘রাশিয়া থেকে আর্মেনিয়া ক্ষেপণাস্ত্র পাচার করছে’

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ অভিযোগ করে বলেছেন, ব্যক্তি মালিকানাধীন বেসামরিক বাণিজ্যিক কার্গো বিমানে করে রাশিয়া …