আজ ঐতিহাসিক আরাফা দিবস

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | আরিফ মুসতাহসান


আজ ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করবেন হাজ্বীগণ। আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা হজ্বের অন্যতম একটি রুকন, যার কোনো কাযা-কাফফারা হয়না।

মক্কা থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে ঐতিহাসিক আরাফাতের ময়দান অবস্থিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের উটনীর উপর আরোহন করে এখানেই বিদায় হজ্বের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন।

৯ জিলহজ্ব ফজরের পর থেকে আরাফার দিবস শুরু হয়। এসময় হাজ্বীগণ মিনা থেকে মৃদুস্বরে তালবিয়া উচ্চারণ করতে করতে আরাফাতের ময়দানে আসেন। এছাড়াও ৯ জিলহজ্ব ফজরের পর থেকে প্রতি ফরজ নামাজের পর তাকবীরে তাশরিক পড়া হয়।

আরাফার দিনের ফজিলত: দুনিয়াতে আগমনের পর আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.) এর পুনর্মিলন হয়েছিল এই আরাফাতের ময়দানে। হাদিসে বর্ণিত আছে, বছরের সবচেয়ে উত্তম দিন হলো আরাফার দিন।

আরাফার রোজা: নফল রোজা সমূহের মাঝে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ রোজা হলো আরাফার দিনের রোজা। হাদিসে বর্ণিত আছে, যে আরাফার রোজা রাখবে আল্লাহ তায়ালা তার একবছর পূর্বের এবং একবছর পরের গোনাহ মাফ করে দিবেন।

আরাফার দিনের রোজা একটি আর তা হলো ৯ জিলহজ্ব। আরাফার রোজা কবে রাখবে এ বিষয়ে কেউ কেউ হাজ্বীগণের আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করার হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করা মুসলমানগণও সেদিন রোজা রাখবেন বলে মত দিয়েছেন। তবে উত্তম হলো চাঁদের হিসেবে ৯ জিলহজ্ব তথা ঈদের আগেরদিন আরাফার রোজা রাখা।