নির্ধারিত ২৫৬টি স্থানে পশু কোরবানির আহ্বান ডিএনসিসির

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রস্তুত রয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

পশু কোরবানির জন্য ডিএনসিসি ২৫৬টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানগুলো লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ও ডিএনসিসির ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে নগরবাসীকে জানানো হচ্ছে।

শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএনসিসি নগরবাসীকে যত্রতত্র কোরবানি না দিয়ে এ সকল স্থানে পশু কোরবানি দেয়ার আহ্বান জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোরবানি পশুর বর্জ্য যত্রতত্র না ফেলে বাড়ির সামনে নির্ধারিত ব্যাগে রেখে দিন, ডিএনসিসির পক্ষ থেকে সেগুলো অতি দ্রুত সংগ্রহ করা হবে। পরিবেশ সম্মতভাবে বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য ডিএনসিসি থেকে প্রায় ৬ লাখ বিশেষ ধরনের ব্যাগ বিতরণ করা হচ্ছে।

কোরবানি দেয়ার স্থান, পশুর বর্জ্য অপসারণ ইত্যাদি সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য ডিএনসিসির নগর ভবনে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। ৩০ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত সার্বক্ষণিক খোলা থাকবে।

কন্ট্রোল রুমের নম্বর- ০২-৫৮৮১৪২২০, ০৯৬০-২২২২৩৩৩ এবং ০৯৬০-২২২২৩৩৪

কোথাও কোরবানি পশুর বর্জ্য থেকে গেলে নগরবাসী যাতে রিপোর্ট করতে পারে এজন্য একটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। অ্যাপটির লিঙ্ক ডিএনসিসির ওয়েবসাইট ও ফেসবুকে দেয়া হয়েছে। এটি ডাউনলোড করে ওপেন করে ছবি তুলে পাঠালে ডিএনসিসি জানতে পারবে কোথায় বর্জ্য রয়ে গিয়েছে। সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। অ্যাপের লিঙ্ক:

https://drive.google.com/file/d/1o8KrfkCqEjEaE2k8LNWyoQzUm4o2rLWW/view?usp=sharing

এছাড়া মাইকিং, লিফলেট, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যত্রতত্র পশু জবাই করা থেকে বিরত থাকা এবং পরিবেশ সম্মতভাবে নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি দিয়ে নির্ধারিত ব্যাগে বর্জ্য সংরক্ষণ করার জন্য জনসাধারণকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ডিএনসিসির পক্ষ থেকে হালাল উপায়ে পশু কোরবানি করার জন্য ২৫০ জন ইমাম ও ২৫০ জন মাংস প্রস্তুতকারীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কোরবানির পশুর বর্জ্য সুষ্ঠুভাবে অপসারণের জন্য অতিরিক্ত জনবল ও যানবাহন বরাদ্দ রাখা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে ডিএনসিসির নিজস্ব, আউটসোর্সিং এবং প্রাইমারি ওয়েস্ট কালেকশন সার্ভিস প্রোভাইডার (পিডব্লিউসিএসপি) কর্মীসহ মোট ১১ হাজার ৫০৮ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং ডিএনসিসির সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী প্রস্তুত থাকবে। এ জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকল ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

বর্জ্য অপসারণের জন্য ভারী ও হালকা মোট ৪৩০টি যানবাহন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিশেষভাবে ১১টি পানির গাড়ির মাধ্যমে স্যাভলন ও ব্লিচিং মিশ্রিত পানি ছিটিয়ে কোরবানির স্থান দূষণমুক্ত করা হবে।

পরিবেশ সুরক্ষা ও দূষণমুক্ত রাখার লক্ষ্যে প্রায় ৫১ টন ব্লিচিং পাউডার ও ৫ লিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ৯৬০ ক্যান তরল জীবাণুনাশক ছিটানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
সূত্র: ইউএনবি