হলমার্ক, রিজার্ভ ফান্ড এবং ক্যাসিনোর মতো ‘ভুয়া টেস্ট’ দিয়ে সরকার নতুন কেলেঙ্কারি করেছে!

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ইতালিতে পৌঁছার পর ১৫২ জন বাংলাদেশিকে এয়ারপোর্ট থেকে ফেরত দেওয়ার ঘটনা প্রমাণ করে ক্ষমতাসীন সরকার দেশের জনগণের স্বার্থের প্রতি কতটা উদাসীন।

তিনি বলেন, আমরা বারবার বলে আসছি, করোনাভাইরাস ট্রেস-টেস্ট এবং ট্রিটমেন্ট নিয়ে সরকার কী করছে, কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে—এগুলো জনগণকে জানাতে হবে। এমনকি করোনা মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে প্রয়োজনে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করার জন্যও সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়েছিল। সরকার সেই দাবি কানে নেয়নি। বরং এখন খবর বেরুচ্ছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় করোনা মোকাবিলায় জেকেজি হেলথ কেয়ার এবং রিজেন্ট হাসপাতাল নামের কিছু ভুয়া প্রতিষ্ঠানকে করোনা টেস্ট ও ট্রিটমেন্টের অনুমোদন দিয়েছে। তাদের একমাত্র যোগ্যতা ছিল, এইসব ভুয়া প্রতিষ্ঠানের কর্ণধাররা ক্ষমতাসীন দলের নেতা কিংবা ঘনিষ্ঠ।

আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এসব কথা বলেন রিজভী।

রিজভী বলেন, অনুমোদন পেয়ে এইসব প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতিবাজরা টাকার বিনিময়ে হাজার হাজার মানুষকে রক্ত পরীক্ষা না করেই করোনামুক্ত সার্টিফিকেট ইস্যু করতো। এদের সার্টিফিকেট নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গিয়ে আটক কিংবা ফেরত আসতে শুরু করায় এখন সরকারের টনক নড়েছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, কখনো হলমার্ক কেলেঙ্কারি, কখনো রিজার্ভ ফান্ড লুট, কখনো ক্যাসিনো কেলেঙ্কারি আর এখন করোনা পরীক্ষা এবং চিকিৎসা নিয়ে কেলেঙ্কারি চলছে। প্রতিটি কেলেঙ্কারির হোতা সরকারি দলের পদ-পদবীধারী নেতা কিংবা সরকারের বিশেষ আনুকূল্যপ্রাপ্ত দুর্নীতিবাজরা। ভোট ডাকাত, ব্যাংক ডাকাত, দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, করোনার ভুয়া প্রত্যয়নপত্রবাজে এখন দেশ ভরে গেছে।

শেয়ার করুণ
  •