ডেঙ্গু প্রতিরোধে আল-মাদানী ফাউন্ডেশনের প্রশংসিত নানা উদ্যােগ

করোনা ভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে দিনদিন ভয়াবহ আকার ধারন করছে ডেঙ্গু। দেশের বিভিন্ন জেলায় তুলনামূলক কম হলেও রাজধানী ঢাকায় ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। মূলত এডিস মশার লাভা থেকেই ডেঙ্গুর সৃষ্টি আর এর কামড়েই ডেঙ্গু হয়। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধরাও এতে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দিনদিন ডেঙ্গু মশার কামড়ে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে সাধারন মানুষ।

ডেঙ্গুর এমন প্রভাবে ঢাকা মহানগরের সর্বসাধারণের মাঝে অস্বস্তিকর অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই সরকারের পাশাপাশি অরাজনৈতিক দ্বীনি সামাজিক ও মানবসেবায় নিয়োজিত আত্মপ্রত্যয়ী এক কাফেলা আল-মাদানী ফাউন্ডেশন এর উদ্যােগে ও বাস্তবায়নে এডিস মশার বিস্তাররোধে ঢাকায় একঝাঁক তরুনের সমন্বয়ে বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় স্বেচ্ছাশ্রমে ঔষধ স্প্রে-করণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

আগামী সপ্তাহে ৫০০০ হাজার পরিবারের মাঝে হোমিওপ্যাথিক ডেঙ্গুর ঔষধ সম্পূর্ণ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং করে বিতরনের কাজ শুরু করা হবে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এই মানবসেবায় সার্বিক সহযোগিতা করছেন সরকার এগ্রো এন্ড হাউজিং এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মুহাম্মাদ শোভন সরকার। ডেঙ্গু ব্যতীতও করোনাকালীন সময়ে ব্যক্তিগত উদ্যােগে হাজারো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।

সংস্থাটির চেয়ারম্যান মুহাম্মাদ ইমতিয়াজ উদ্দীন সাব্বির তাদের কার্যক্রম নিয়ে বলেন, এজাতীয় কাজগুলোর ক্ষেত্রে যারা আমাদের সহযোগিতা করেছেন এবং করবেন বিশেষত আমার আল-মাদানী ফাউন্ডেশন এর উপদেষ্টাবৃন্দ, দায়িত্বশীল সদস্যরা যেভাবে রাত দিন গরমে, বৃষ্টিতে ভিজে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তাদের শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা আদায় করছি। আল্লাহ্‌ তাদের উত্তম বিনিময় দান করুন।

করোনার শুরু থেকে আল-মাদানী ফাউন্ডেশন সমাজ ও মানুষের জন্য কাজ করে গিয়েছি। আল-মাদানী ফাউন্ডেশন করেনাকালীন সময়ে বিভিন্ন অসহায় হতদরিদ্র মানুষ ও আলেম পরিবারের মাঝে মধ্যরাতে আর্থিক সহযোগিতাসহ ত্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন আত্মমানবতার সেবায় আজ এই ক্লান্তিলগ্নে আমরা ঢাকায় ডেঙ্গু নিধনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে মাঠে নেমেছি। আমরা রাজধানীর মুগদা, মানিকনগর, মান্ডা, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, বৌদ্ধ মন্দির, রাজারবাগ, বাসাবো, খিলগাঁও শাহজাহানপুর, কমলাপুর ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু প্রজনন নিধনের এই মেডিসিন স্প্রে কাজ কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে।