আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধ তদন্ত নিয়ে আমেরিকার কেন এত ভয়!

গত ১১ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সদস্যদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির নির্দেশ দিয়েছেন। স্বাধীন এই বিচারিক সংস্থাটি ২০০৩ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনী অনুপ্রবেশের পর থেকে সেখানে মানবাধিকারের বিরুদ্ধে সংঘঠিত যুদ্ধাপরাধ তদন্তের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দুই মাস পর তিনি এই নির্দেশ দিলেন।

আইসিসির একমাত্র উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা, আগ্রাসনের অপরাধকে নিয়ন্ত্রণ করা। হেগভিত্তিক এই আদালত এভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির বিচার করেছে।

গত ৫ মার্চ আদালত আইসিসির প্রসিকিউটরের আবেদনের আওতায় আফগানিস্তানে তদন্ত শুরুর বিষয়টি অনুমোদন করে। তারা ইউএস আর্মড ফোর্সেস, সিআইএ, তালেবান, মার্কিন সমর্থিত আফগান সরকারি বাহিনীর যুদ্ধাপরাধ তদন্ত করবে। তারা পোল্যান্ড, রোমানিয়া ও লিথুয়ানিরয়ার ডিটেনশন কেন্দ্রগুলোতেও তদন্ত চালাবে বলে জানায়। আফগানিস্তান ২০০৩ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি এই আদালতের পক্ষ হয়। আদালত ২০০৩ সালের ১ মে থেকে তদন্ত শুরু করতে পারে।

আফগানিস্তানের ব্যাপারে প্রসিকিউটর ফ্যাতু বেনসোদা প্রি-ট্রায়াল চেম্বার-২ তদন্ত শুরুর অনুরোধ করেছিলেন। তবে বিচারিক স্বার্থ না থাকার যুক্তি দেখিয়ে তা খারিজ করা হয়েছে। ২০২০ সালের ৫ মে আপিল চেম্বার প্রিয়-ট্রায়াল চেম্বার ২-এর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে।

সূত্র: সাউথ এশিয়ান মনিটর