Breaking News

ইরাকে মার্কিন সেনাদের ঘাঁটিতে একের পর এক রকেট হামলা

ইরাকের কুর্দিস্তানে মার্কিন সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে একের পর এক রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।

দেশের সব দূতাবাসগুলোতে নিরাপত্তা দেয়ার ঘোষণা করেছিল ইরাক সরকার। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই কুর্দিস্তানে মার্কিন সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে রকেট হামলা হলো। সম্প্রতি যারা দূতাবাস লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালিয়েছিল, তারাই এই হামলার পিছনে বলে মনে করা হচ্ছে। অধিকাংশ রকেটকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়ার ফলে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানানো হয়েছে। বেশ কিছু রকেট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে এরবিল বিমানবন্দরের কাছে পড়েছে।

ইরাকি কুর্দিশ কাউন্টারটেররিজম সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শেখ আমির গ্রামের কাছ থেকে রকেট হামলা হয়। পপুলার মবিলাইজেশন ফোর্স (পিএমএফ)-এর সদস্যরাই এই রকেট হামলার পিছনে রয়েছে। মোট ছয়টি রকেট ছোড়া হয়।

পিএমএফ হলো মূলত ইরানের সাহায্যপ্রাপ্ত শিয়া মিলিশিয়া বাহিনী, যার মধ্যে একাধিক সংগঠনের সদস্য আছে।

অধিকাংশ রকেটই লক্ষ্যে আঘাত করার আগেই নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়েছিল। কেবল একটি রকেট ইরানি-কুর্দিশ বিরোধী দলের সদরদফতরে গিয়ে আঘাত করে। এই দলটি ইরানে নিষিদ্ধ।

ইরাক প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে, এই রকেট-আক্রমণ গুরুতর ঘটনা। সরকার দূতাবাসের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে, এ কথা বলার পরেই এই হামলা হলো। ফলে এই হামলাকে অবহেলা করার কোনো প্রশ্নই নেই। মার্কিন সেনার তরফ থেকেও রকেট হানার কথা স্বীকার করে নেয়া হয়েছে।

তবে শুধু এখানেই নয়, বাগদাদে কড়া সুরক্ষার মধ্যে থাকা দূতাবাসগুলোতেও প্রায়ই রকেট হানা হচ্ছে। আমেরিকা জানিয়ে দিয়েছে, এ রকম হানা চলতে থাকলে দূতাবাস বন্ধ করে দেয়া হবে। তাদের দাবি, শিয়া মিলিশিয়া বাহিনীকে নিষ্ক্রিয় করুক সরকার।

ইরাকের সাবেক বিদেশমন্ত্রী ও কুর্দিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দূতাবাসে যারা হামলা করে সেই একই গোষ্ঠী রকেট হানার পিছনে। তাই অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

সূত্র : ডয়চে ভেলে

About |

Check Also

করোনার সংক্রমণ কমলে মুসলিম বিরোধী সিএএ কার্যকরের ঘোষণা হিন্দুত্ববাদী নাড্ডার

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে গেলে মুসলিম বিরোধী ‘সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন’ (সিএএ) কার্যকর করা …