ধর্ষক সাইফুর ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল

সিলেটের মুরারিচাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমান (২৮) ছাতক সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাচ্ছিল।

আজ রোববার সকালে সুনামগঞ্জের ছাতক শহর সংলগ্ন নোয়ারাই ইউনিয়নের নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে ছাতক থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

জানাগেছে, ঘটনার পর পরই সে ছাতক চলে আসে। ভারতে পালানোর সুযোগ খুজতে থাকে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী পুলিশ সুপার সার্কেল (অতিরিক্ত) পুলিশ সুপার বিল্লাল হোসেন।

ধর্ষক সাইফুর রহমান সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার চান্দাই নিবাসী তাহিদ মিয়ার পুত্র। বর্তমানে (৫ম ব্লক, এমসি কলেজ হোস্টেল সুপারের বাংলো) শাহপরান সিলেটের বাসিন্দা।

এদিকে ঘটনায় চার নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন মাধবপুর থানার ওসি (তদন্ত) গোলাম দস্তগির।

জানাগেছে, সেও ভারতে পালানোর সুযোগ খুজতে থাকে।

গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী। তিনি এখন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি রয়েছেন ওই তরুণী। এঘটনায় ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

এজাহারে ছয় আসামির নাম রয়েছে, তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় আসামি রয়েছে। নাম থাকা আসামিদের ছয়জনই ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত। তারা হলেন- সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান।