কুরবানীকে নিরুৎসাহিতকারী ইসলামবিদ্বেষী মতলববাজ: চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী রেজাউল করীম চরমোনাই পীর বলেছেন, সামর্থবান প্রত্যেক নারী পুরুষকে কুরবানী করা ওয়াজিব। যারা কুরবানীকে নিরুৎসাহিত করছে তারা ইসলামের বিধান নিয়ে বুঝে হোক না বুঝে হোক তামাশা করছে। আসন্ন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ যাতে নির্বিঘে পশু ক্রয় ও কুরবানী দিতে পারে তার সুব্যবস্থার দাবি জানান তিনি।

সোমবার (২০ জুলাই) এক বিবৃতিতে চরমোনাই পীর এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, কুরবানী মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। প্রত্যেক সামর্থবান ব্যক্তির পক্ষ থেকে ঈদ-উল-আযহার দিনগুলোতে পশু কুরবানী দেয়া ওয়াজিব। দেশবাসী এ গুরুত্বপূর্ণ আমল যাতে নির্বিঘে সম্পন্ন করতে পারে তার জন্য সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু কিছু লোক করোনাভাইরাসহ বিভিন্ন অজুহাতে এবং ইসলামের বিধান না জানার কারণে পশু কুরবানীকে নিরুৎসাহিত করছে। এধরণের মানুষগুলোই ইসলাম বিদ্বেষী মতলববাজ। সাধারণ দান-সদকা কুরবানীর বিকল্প হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা কমালে জটিলতা আরও বাড়বে। এক জায়গায় অধিক ক্রেতা-বিক্রেতার ভীড় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই করোনাভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সমুন্নত রেখে পর্যাপ্ত পশুর হাটের ব্যবস্থা করতে হবে। বিশেষ করে রাজধানীসহ শহরাঞ্চলে পর্যাপ্তসংখ্যক পশুরহাটের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে কুরবানী দাতারা সহজে ও স্বল্প সময়ে পশু ক্রয় করতে পারে। হাট কমালে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়বে। এজন্য প্রতিটি এলাকাভিত্তিক পশুর হাটের ব্যবস্থা করলে ঝুঁকি থাকবে না।


এছাড়াও তিনি পশুর চামড়ার দাম নিয়ে যাতে গত বছরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় তার জন্য সরকারকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বলেন, কুরবানীর পশুর চামড়া এতিম ও গরিবের হক। চামড়ার দাম কমানোর মাধ্যমে এতিম-গরিবের অধিকার নষ্ট করা হচ্ছে। দেশের এতিমখানাগুলো জনগণের দানে পরিচালিত।