করোনা কিটের নমুনা ও সাড়ে ৪ লাখ টাকা খরচ চেয়ে গণস্বাস্থ্যকে চিঠি দিল বিএসএমএমইউ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র উদ্ভাবিত ‘র‌্যাপিড ডট ব্লট’ নামের করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য ২০০টি নমুনা চেয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)।

পাশাপাশি কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য খরচ বাবদ চার লাখ ৩৫ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে বলেছে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে একটি চিঠি দিয়েছে বলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী জানিয়েছেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানিয়েছেন, গণস্বাস্থ্যকে বিএসএমএমইউ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর ফলে কিট পরীক্ষায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, “আমরা খুশি, বিলম্বে হলেও বিএসএমএমইউর কাছ থেকে আজকে চিঠি পেয়েছি। আমরা আগামীকাল সকালেই পরীক্ষার জন্য অর্থ জমা দিয়ে নমুনা তাদের কাছে দেবো।”

৩০ এপ্রিল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর গণস্বাস্থ্যকে তাদের উদ্ভাবিত কিটের নমুনার কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বিএসএমএমইউ অথবা আইসিডিডিআরবিতে জমা দেওয়ার অনুমতি দেয়। নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যে ১২ দিনেও কোনো জবাব না আসায় সোমবার সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কিট ব্যবহারের সাময়িক অনুমোদন চেয়েছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বিশ্বমহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর পরই গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে একদল গবেষক কোভিড-১৯ শনাক্ত করতে ‘জিআর কোভিড-১৯ ডট ব্লোট’ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।

গবেষক দলের অন্যরা হলেন- ড. ফিরোজ আহমেদ, ড. নিহাদ আদনান, ড. মো. রাইদ জমিরুদ্দিন ও ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার।

‘র‌্যাপিড ডট ব্লট’ নামের এই পদ্ধতিতে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য ৩০০ থেকে সাড়ে ৩০০ টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।