মাওলানা মুহাম্মদ ইদ্রিস-এর ইন্তেকালে আল্লামা বাবুনগরীর শোক প্রকাশ

জামিয়া আরাবিয়া নাছিরুল উলুম নাজিরহাট বড় মাদরাসার মোহতামীম মাওলানা মুহাম্মদ ইদ্রিসের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

আজ ২৮ মে বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় আল্লামা বাবুনগরী বলেন,মাওলানা মুহাম্মদ ইদ্রিস রহ.একজন মুখলিছ,আল্লাহ ওয়ালা ও বুজুর্গ আলেম ছিলেন। প্রয়োজন থাকা সত্বেও জীবনের শেষ দুই বছর তিনি মাদরাসা থেকে কোন বেতন ভাতা গ্রহণ করেননি। তার ইন্তেকালে চট্টগ্রাম বাসী দ্বীনের জন্য নিবেদিতপ্রাণ একজন মুখলিছ আলেমে দ্বীনকে হারাল ৷ তাঁর ইন্তেকালে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা কভু পূরণ হবার নয়। আমি তার ইন্তেকালে গভীরভাবে শোকাহত।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন,তিনি ছিলেন প্রথিতযশা আলেম। একজন আদর্শ উস্তাদ। হাদীসের সর্বোচ্চ কিতাব বুখারী শরীফ সহ আরো বহু কিতাবের পাঠদান করতেন তিনি। দরস-তাদরীস পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর ঈমান আকিদা রক্ষায় ওয়াজ-নসিহতের ময়দানেও অসাধারণ খেদমত করে গেছেন তিনি।

সদা তিনি হকের উপর অটল-অবিচল ছিলেন।বাতিলের সামনে কখনো মাথা নত করেননি।আমরন তিনি নির্ভিকতার সাথে বলিষ্ঠ কণ্ঠে হক কথা বলে গেছেন।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন-মাওলানা ইদ্রিস রহ. আমার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন। আমার সাথে ছিল তাঁর গভীর সম্পর্ক।তিনি আমাকে খুব বেশি মুহাব্বত করতেন। আমিও তাঁকে মোহাব্বত করতাম।

আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, মহান প্রভুর দরবারে আমি দুআ করি, আল্লাহ তাআলা তাঁর সকল দ্বীনি খেদমতকে কবুল করুন এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করুন, আমিন।