আঙুলের ছাপ না মেলায় ফিরে গিয়েছেন প্রচুর ভোটার

ফেব্রুয়ারি ১, ২০২০ । নিজস্ব প্রতিনিধি



ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের আঙুলের ছাপ না মেলায় বহু ভোটারকে ফিরিয়ে দিয়েছেন  প্রিজাইডিং অফিসাররা। নির্বাচনী কয়েকটি এলাকায় আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোট না দিয়েই ফিরে যেতে দেখা গেছে অনেক ভোটারকে।

ভোটাররা অভিযোগ করে বলেন, ভোটার তালিকায় নাম আছে। তবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট দিতে গিয়ে আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোট দিতে পারলাম না। কয়েকবার চেষ্টা করা হয়। তারপরও ভোট দিতে পারিনি।

আজ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার, ফরাশগঞ্জ, গেণ্ডারিয়া, সূত্রাপুর, ফরিদাবাদ, মতিঝিল, কমলাপুর ও নিউমার্কেট এলাকায় ভোটকেন্দ্রগুলোতে শতকরা এক শতাংশ এ ধরনের সমস্যায় পড়েছেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিউমার্কেট এলাকার আইয়ুব আলী কলোনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার রেজাউল হক গণমাধ্যমকে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি কেন্দ্রে সর্বোচ্চ এক শতাংশ ভোটারের আঙুলের ছাপ না মিললে প্রিজাইডিং অফিসারের সহযোগিতায় এক শতাংশ ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ কেন্দ্রে এক শতাংশের বেশি ভোটারের আঙুলের ছাপ না মেলায় তারা ভোট দিতে পারছেন না।

নিউমার্কেট এলাকার সমাজ কল্যাণ ও গবেষণা ইনিস্টিউটের প্রিজাইডিং অফিসার পার্থ প্রতীম সাহা বলেন, যাদের আঙুলের ছাপ মিলছে না তাদের ভোট দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকছে না। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের সহযোগিতায় এক শতাংশের বেশি ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই। এর বেশি হলে ইসির অনুমতি নিয়ে প্রিজাইডিং অফিসার তাদের ভোট দিতে সহায়তা করতে পারবেন। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।

কমলাপুর বিআরটিসি বাস ডিপোর প্রিজাইডিং অফিসার মনিরুল ইসলামবলেন, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের এ কেন্দ্রে সকাল থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত আঙুলের ছাপ না মেলায় তিন/চারজন ভোটারকে ফেরত দিয়েছি। এ কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ২৫ জন। প্রায় ৩২০টির মতো ভোট পড়েছে।

ভোট না দিতে পেরে আভিযোগ করে কমলাপুর বিআরটিসি বাস ডিপো কেন্দ্রের ভোটার হেলাল উদ্দিন বলেন, আমি কয়েকবার চেষ্টা করার পরও ভোট দিতে পারিনি। কারণ আমার আঙুলের ছাপ মেলেনি। কর্মকর্তারা অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।

৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের জামিয়া ইসলামিয়া আরবিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রের ভোটার বেনু খান গণমাধ্যমকে বলেন, আঙুলের ছাপ না মেলায় ভোট দিতে পারিনি। অফিসাররা কয়েকবার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কোনো লাভ না হওয়ায় আমাকে পরে আসতে বলেছেন।


 

সর্বশেষ সংবাদ