নীতিগতভাবে অভিন্ন হওয়ায় মার্কিন আমেরিকা সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক তৈরি হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
রোববার (৩ এপ্রিল) আমেরিকার ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মত ব্যক্ত করেন।
মোমেন বলেন, আমেরিকার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুব গভীর। আমরা চাই, সুসম্পর্ক আরও গভীর করতে। আমাদের ভ্যালুস সমান। নীতিগতভাবে আমরা অভিন্ন। তারা যা চায়, আমরাও তাই চাই। আমরা সন্ত্রাস চাই না, তারাও সন্ত্রাস চায় না। আমরা মানবপাচার কমাতে চাই, তারাও তা চায়। আমরা ড্রাগ ট্রাফিকিং কমাতে চাই, তারাও চায়। আমরা চাই গণতন্ত্র, তারাও চায়।
তিনি বলেন, আমাদের দেশে গত কয়েক বছরে অত্যন্ত সুষ্ঠু গণতন্ত্র রয়েছে। তবে গণতন্ত্র সব দেশে সমান নয়। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, আমাদের স্বাধীনতা আছে। আমাদের হিউম্যান রাইটস ভ্যালুস আছে। তারাও এটাতে বিশ্বাস করে। তাদের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ আছে। আমরা সেগুলোই বলব। আমাদের রাজনৈতিক সম্পর্ক ভালো। তবে আরও ভালো হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমরা এসব বিষয়ে তাদের উৎসাহিত করব।
মার্কিন আমেরিকা বাইডেন প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে প্রথমবারের মতো সশরীরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসছেন ড. মোমেন। ঢাকা-ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীর দিনে সোমবার (৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।










