এমপিদের শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


সংবিধান অনুসারে দশম জাতীয় সংসদ ভেঙে না দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিতদের সংসদ সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এ রিট দায়ের করেন।

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি সংবিধান অনুসারে দশম জাতীয় সংসদ ভেঙে না দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নেওয়া শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. তাহেরুল ইসলাম তাওহীদের পক্ষে নোটিশটি পাঠান সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।

ওই নোটিশে বলা হয়, সংবিধানের ১২৩(৩) অনুচ্ছেদে সংসদ ভেঙে দিয়ে পুনরায় সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু সে অনুচ্ছেদ প্রতিপালন না করে পুনরায় সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ায় বর্তমানে দু’টি সংসদ বহাল রয়েছে, যা সংবিধান পরিপন্থী। কিন্তু সেই নোটিশের কোনও জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।


আল্লামা শফীকে নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য ধার্মিক মহলকে আহত করেছে : মাওলানা ইউসুফী
জানুয়ারি ১৪, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | ডেস্ক রিপোর্ট


হেফাজতের ইসলাম বাংলাদেশ এর আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী’র বিষয়ে মন্তব্য করার বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরকে সতর্ক করলেন বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরীক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী।

আজ সোমবার (১৪ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে মাওলানা ইউসুফী বলেন, ‘সম্প্রতি দেশের শীর্ষ দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাট হাজারীর মাহফিলে অত্র প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আহমদ শফী প্রদত্ব একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের ভাব ও উদ্দেশ্য গভীর ভাবে উপলব্ধি না করে অনেকেই গতানুগতিক ভাবে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গতকালের কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে আহমদ শফীর পক্ষ থেকে প্রদত্ত এ সংক্রান্ত ব্যাখ্যাও ছাপা হয়েছে। এতদসত্বেও এর প্রতিবাদ জানানো যথাযথ নয় বলেই মনে করি। বিশেষ করে যাঁরা ইসলামী শিক্ষা ও কৃষ্টি কালচারে বিশ্বাস করেন তাদের পক্ষ থেকে এর প্রতিবাদ জানানো অনভিপ্রেত।

আবদুর রব ইউসুফী বলেন, বর্তমান অসহিষ্ণু রাজনীতিতে একজন সহিষ্ণু, পরিশীলিত ও পরিমার্জিত রাজনীতিবিদ হিসাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম আসে। তিনিও আল্লামা শাহ আহমদ শফী’র বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। যা দেশের ধার্মিক মহলকে আহত করেছে।

এছাড়া ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচনের পূর্বে একটি পত্রিকার সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, তিনি শরীয়া আইনে বিশ্বাস করেন না। আমরা বিএনপিকে কখনো ইসলামী দল বলে মনে করিনা বা বিএনপিও কখনো নিজেদেরকে ইসলামী দল বলে দাবী করেনি। তবে ইসলামী বিষয়ে তুলনা মূলক একটি সহনশীল দল হিসাবেই মনে করা হয়। এমন একটি দলের মহাসচিবের পক্ষ থেকে এ ধরনের বক্তব্য জাতি আশা করেনি বলেই আমি মনে করি। মনে রাখতে হবে, এদেশের লক্ষ লক্ষ আলেম ও কোটি কোটি জনতার অন্তরে আল্লামা আহমদ শফীর প্রতি শ্রদ্ধা, ভালবাসা ও ভক্তি রয়েছে। কাজেই তাঁর ব্যাপারে মন্তব্য করতে একটু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।