টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীকে ২০ দিন ধরে ধর্ষণ

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


টাঙ্গাইলের সখীপুরে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ২০ দিন ধরে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রোববার (১৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে মজিবর রহমান (৪২) ও তার স্ত্রী আমেনা বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করলে ওই রাতেই তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত মজিবর রহমানকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠিয়েছে। তবে এখনো ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের ধলীপাড়া গ্রামের ওই ছাত্রীকে স্থানীয় মজিবর নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। মজিবরের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় ওই মেয়েটির পরিবার কাউকে কিছু বলতে সাহস পায়নি। মেয়েটি গত ২৪ ডিসেম্বর স্থানীয় বাজারে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত মজিবর রহমান কৌশলে তাকে তুলে নিয়ে যায়। তাকে আটকে রেখে নিয়মিত ধর্ষণ এবং নানাভাবে নির্যাতন চালায়।

এদিকে সখীপুর থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) আমির হোসেন জানান, সোমবার দুপুরে অভিযুক্ত মজিবরকে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মজিবরের স্ত্রীকেও আদালতে পাঠানো হয়। ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ; বখাটের বিরুদ্ধে মামলা
জানুয়ারি ১৪, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | সোহেল আহম্মেদ

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণ করার অভিযোগে উসমান আহমেদ সাগর (১৮) নামে এক বখাটের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

শনিবার (১২ জানুয়ারি) রাতে ধর্ষিতা স্কুলছাত্রীর মা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মোহনগঞ্জ থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত সাগর উপজেলার বরতলী-বানিয়াহারী ইউনিয়নের কলুংকা গ্রামের নুর মিয়ার ছেলে।এ ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে সে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, উপজেলার বরতলী- বানিয়াহারী ইউনিয়নের কলুংকা গ্রামের বাসিন্দা ও পার্শ্বস্থ ধর্মপাশা জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের অস্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীটিকে গত বুধবার দুপুরে প্রতিবেশী নূর মিয়ার বখাটে ছেলে সাগর মেয়েটির মা ঘরে না থাকার সুযোগে মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ির সামনের গোয়াল ঘরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় মেয়েটির ডাক-চিৎকার শুনে মেয়ের মাসহ আশপাশের লোকজনকে ছুটে আসতে দেখে ধর্ষক সাগর দৌড়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পরে মেয়েটির পরিবারের লোকজন বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। অবশেষে শনিবার রাতে মেয়েটির মা বাদি হয়ে মোহনগঞ্জ থানায় ধর্ষক সাগরকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই জসিম উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, মামলার পরপরই রবিবার সকালে নেত্রকোনার বিজ্ঞ আদালতে ২২ ধারা মতে মেয়ের জবানবন্দি রেকর্ড করাসহ তার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ধর্ষক সাগরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।