ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ সদস্য তরুন কান্তি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুলিশ সদস্য তরুন কান্তি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

রবিবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) রির্পোট পর্যালোচনা করে এ পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করা হয়। এরপর বিচারক মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন। গত বছরের ২০ নভেম্বর পিবিআই এর পরিদর্শক শামীম আহমেদ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ঘটনাকালীন সময়ে তরুন কান্তি রাজারবাগ পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের মে মাসে পুলিশ সদস্য তরুন কান্তি বিশ্বাস ওই নারীর ভাড়া বাসায় সাবলেট হিসেবে ভাড়া নেন। পরে আসামি তাকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দেয়। তার স্বামী ঘরে না থাকার সুযোগে দুধের সাথে ঘুমের ওষুধ খাওয়ায়। এতে অচেতন হয়ে পড়ায় আসামি নারীর ভিডিও করে। পরে তাকে ব্ল্যাক মেইল করে। বাদীকে সে ভিডিও দেখিয়ে আসামির সাথে অবৈধভাবে শারীরিকভাবে মেলামেশা করে। আসামি তাকে বিয়ের আশ্বাস দেয়। এ ঘটনায় আসামির বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন ওই নারী।


ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্স

ইনসাফ সাংবাদিকতা কোর্সদেশের প্রথম ইসলামী ঘরানার অনলাইন পত্রিকা ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে স্বল্পমেয়াদী সাংবাদিকতা কোর্স।অংশগ্রহণ করতে যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে-০১৭১৯৫৬৪৬১৬এছাড়াও সরাসরি আসতে পারেন ইনসাফ কার্যালয়ে।ঠিকানা – ৬০/এ পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০।

Posted by insaf24.com on Monday, October 29, 2018


খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
জানুয়ারি ২০, ২০১৯
ইনসাফ টোয়েন্টিফোর ডটকম | নিজস্ব প্রতিনিধি


ফাইল ছবি

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও জাতিগত বিভেদ সৃষ্টির করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রবিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম জসিম উদ্দিন এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে এ গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলের জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট আদালতের কর্মকর্তা রাকিবুল চৌধুরী এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এদিন আদালতে বাদী বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী উপস্থিত হয়ে হাজিরা দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি)-এর মিলনায়তনে শুভ বিজয়া অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে খালেদা জিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধর্ম নিরপেক্ষতার মুখোশ পরে আছে। আসলে দলটি ধর্মহীনতায় বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগের কাছে কোনও ধর্মের মানুষ নিরাপদ নয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করেছে। হিন্দুদের ওপর হামলা করেছে।’

এতে বলা হয়, খালেদা জিয়ার এসব বক্তব্য যেমন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে, তেমনি হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে শ্রেণিগত বিভেদও সৃষ্টি করেছে।

ওই ঘটনায় গত ২০১৪ সালের ২১ অক্টোবর এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

এরপর মামলাটি গত ৩০ জুন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) জাফর আলী বিশ্বাস। পরে এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানার জারি করার আবেদন করেন।